র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) বিলুপ্ত করে পুলিশের অধীনে গঠিত স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) গতকাল বুধবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করেছে। মঙ্গলবার ‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) আইন, ২০২৬’-এর প্রজ্ঞাপন জারি হওয়ার পর এসআরবির কার্যক্রম শুরু হয়। বাহিনী প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি আহসান হাবীব পলাশ জানিয়েছেন, গতকাল থেকে সব কার্যক্রম এসআরবি নামে পরিচালিত হচ্ছে।
এসআরবির নিজস্ব পোশাক, লোগো, সদস্যদের ব্যাচ, যানবাহনের রংসহ আনুষঙ্গিক বিষয় চূড়ান্ত করার কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। নতুন নামে কার্যক্রম শুরু হলেও প্রাথমিক পর্যায়ে র্যাবের বিদ্যমান সরঞ্জাম ও অবকাঠামোর ব্যবহার অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন এসআরবি’র আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক উইং কমান্ডার এ জেড ইন্তেখাব চৌধুরী।
‘স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে গত ১০ সেপ্টেম্বর পাশ হয়। এই আইনে র্যাবের জনবল, ক্ষমতা, কর্তৃত্ব, সম্পদ ও দায়-দেনা নতুন বাহিনীতে হস্তান্তরের বিধান রাখা হয়েছে। আইন অনুযায়ী, এসআরবি হবে বাংলাদেশ পুলিশের অধীনে একটি বিশেষায়িত ইউনিট।
এসআরবির দায়িত্বে থাকবে জননিরাপত্তা রক্ষা, সন্ত্রাসবাদ ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমন, এবং গুরুতর অপরাধ মোকাবিলা। বেআইনি অস্ত্র, মাদক ও সাইবার অপরাধের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি আদালত ও সরকার নির্দেশ দিলে ফৌজদারি অপরাধের তদন্তও করতে পারবে।
এসআরবি সদস্যদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য পৃথক ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। অভিযোগের তদন্তের জন্য একাধিক সদস্যের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করা হবে। সদস্যদের বিরুদ্ধে শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বিভিন্ন ধরনের শাস্তির বিধানও রয়েছে।