• সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:০৩ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
মনোহরদীতে ৩০০ লিটার চোলাইমদ উদ্ধার, স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার ইয়াবাসহ নারী আটকের পর যুবককে থানায় ৬ ঘণ্টা রাখার অভিযোগ গাজায় চলমান নৃশংসতার বিরুদ্ধে মার্কিন কংগ্রেস সদস্যের সমালোচনা ফরিদপুরে সন্ধ্যার পর ২০০ মিটার রাস্তায় ইয়াবার বাজারের অভিযোগ সিলেটে হাম উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, মোট ১৬৪ জনের মৃত্যু বিজিবিতে সিপাহী পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, আবেদন শুরু ১৫ সেপ্টেম্বর রাশিয়ার ডিজেল শোধনাগারে হামলা বন্ধ করতে জেলেনস্কিকে অনুরোধ ট্রাম্পের দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান অব্যাহত মুসলিম আলেমদের এআই নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর ভারত প্রসঙ্গে মন্তব্য: নিজেদের দেশের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান

নদী দূষণের অভিযোগে এমপির মিল, আবার খনন কাজের উদ্বোধন—প্রশ্নের মুখে নরসিংদীর পরিবেশ সুরক্ষা

নরসিংদী জেলা প্রতিনিধি / ১২৭৩ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬

১৪৯১

নদী দূষণের অভিযোগে এমপির মিল, আবার খনন কাজের উদ্বোধন—প্রশ্নের মুখে নরসিংদীর পরিবেশ সুরক্ষা

নরসিংদী প্রতিনিধি:

নরসিংদীতে একদিকে নদী দূষণের অভিযোগ, অন্যদিকে নদী রক্ষায় খাল খনন ও পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন—এমন দ্বৈত অবস্থান ঘিরে জনমনে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নরসিংদীর একটি শিল্প প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে নদীতে বর্জ্য ফেলার অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, ওই মিলটি স্থানীয় সংসদ সদস্যের মালিকানাধীন বা সংশ্লিষ্ট হওয়ায় বিষয়টি আরও সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, শিল্প বর্জ্যের কারণে নদীর পানি মারাত্মকভাবে দূষিত হচ্ছে, মাছ ও জলজ প্রাণীর অস্তিত্ব হুমকির মুখে পড়েছে এবং পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে।
এমন পরিস্থিতিতে সম্প্রতি নদী ও খাল রক্ষায় খনন ও পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন করেন একই সংসদ সদস্য। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নদী রক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরা হলেও, স্থানীয়দের প্রশ্ন—যে নদী দূষণের অভিযোগ রয়েছে, তা বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ কোথায়?
পরিবেশ সচেতন মহল মনে করছে, শুধু খনন কার্যক্রম নয়, নদী রক্ষায় প্রথম ও প্রধান পদক্ষেপ হওয়া উচিত দূষণের উৎস বন্ধ করা। বিশেষ করে শিল্প প্রতিষ্ঠানের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা এবং পরিবেশ অধিদপ্তরের নিয়ম কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা জরুরি।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন,
“নদী খনন অবশ্যই ভালো উদ্যোগ। কিন্তু যদি দূষণ বন্ধ না হয়, তাহলে খননের সুফল টেকসই হবে না।”
বিশেষজ্ঞদের মতে, নদী রক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন—যার মধ্যে রয়েছে বর্জ্য পরিশোধন ব্যবস্থা (ETP) বাধ্যতামূলক করা, নিয়মিত মনিটরিং এবং আইন প্রয়োগ।
জনগণের প্রত্যাশা:
সবার আগে দূষণের উৎস বন্ধ করতে হবে। সংশ্লিষ্ট শিল্প প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সঠিক তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে নদীকে বাঁচাতে হবে। পাশাপাশি খনন কার্যক্রম যেন বাস্তবিক অর্থেই নদীর প্রাণ ফিরিয়ে আনতে পারে, সে বিষয়েও নজর দিতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd