ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ফজলুল হক মুসলিম হলের এক শিক্ষার্থীকে প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইলিয়াস আল মামুনের কক্ষে প্রায় দেড় ঘণ্টা আটকে রেখে ভয়ভীতি দেখানোর, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, শিক্ষার্থীর মুঠোফোন কেড়ে নেওয়া এবং জোরপূর্বক লিখিত বক্তব্যে স্বাক্ষর নেওয়ার চেষ্টা করা হয়।
এ ঘটনার প্রতিবাদে হলের আবাসিক শিক্ষার্থীরা প্রভোস্টের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করেছেন। রবিবার (১৬ আগস্ট) রাত ৮টা থেকে শিক্ষার্থীরা হল প্রভোস্ট কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহের দাবি জানান। রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এই অবস্থান কর্মসূচি চলমান রয়েছে।
বিক্ষোভে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ইসতাফিল রতন, হলের হাউজ টিউটর, ডাকসুর বিভিন্ন সম্পাদক ও হল সংসদের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে তাদের দাবি জানান।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, প্রভোস্ট রুমে ডেকে ২০-২১ সেশনের এক শিক্ষার্থীকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হয়েছে। তারা প্রশাসনের কাছে সিসিটিভি ফুটেজ দেখতে চেয়েও তা পাচ্ছেন না।
অন্যদিকে, প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইলিয়াস আল মামুন অভিযোগগুলো অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, দেড় ঘণ্টা মানসিক নির্যাতন কীভাবে করা যায় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্রকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা সম্ভব নয়।