• মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ০১:২৮ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
পলাশে ১৮ শতাংশ জমি দখলের চেষ্টা ও ফসল নষ্টের অভিযোগ, অস্বীকার অভিযুক্ত পক্ষের।  চাঁদপুরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে ৩ যাত্রীর মৃত্যু, আহত ১৫ ২৩ বছর পর অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ ট্রাম্পের দাবি, হরমুজ প্রণালির পুরো নিয়ন্ত্রণ যুক্তরাষ্ট্রের হাতে এমপির গলায় রামদা ঠেকিয়ে সম্পত্তি লিখে নেওয়ার অভিযোগে মামলা দায়ের এসএসসি রেজাল্ট শুনে শিক্ষার্থীর মৃত্যু, হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার দাবি বগুড়ায় সিলগালা হোটেলে অভিযান, আটক ২০ নারী-পুরুষ লিবিয়ার সবচেয়ে বড় তেল শোধনাগারে আগুনের ঘটনা আইসিসির জুলাই মাসের সেরা হওয়ার দৌড়ে তানজিদ তামিম ইনফান্তিনোর পদত্যাগের দাবি জানাল উয়েফা, এএফসি ও কনকাকাফ

পলাশে ১৮ শতাংশ জমি দখলের চেষ্টা ও ফসল নষ্টের অভিযোগ, অস্বীকার অভিযুক্ত পক্ষের। 

নরসিংদী প্রতিনিধি / ১৩ Time View
Update : সোমবার, ১০ আগস্ট, ২০২৬

১৮

পলাশে ১৮ শতাংশ জমি দখলের চেষ্টা ও ফসল নষ্টের অভিযোগ, অস্বীকার অভিযুক্ত পক্ষের।

নরসিংদী প্রতিনিধি:

নরসিংদীর পলাশ উপজেলার রামানন্দী এলাকায় ১৮ শতাংশ জমি দখলের চেষ্টা, ফসলের গাছ উপড়ে ফেলা ও বেড়া ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে মো. মনির হোসেনসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত মনির হোসেনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কাগজপত্র অনুযায়ী ওই জমির মালিক তারা। সেখানে কোনো গাছপালা বা ফসলের ক্ষতিসাধন করা হয়নি।

রানু আক্তার (২৭) নামে এক নারী গত ৭ আগস্ট পলাশ থানায় দেওয়া লিখিত অভিযোগে দাবি করেন, প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি রামানন্দী মৌজায় ১৮ শতাংশ জমি কিনে ভোগদখল করে আসছেন। ওই জমিতে বিভিন্ন ধরনের ফসল চাষ করা হচ্ছিল।

অভিযোগে রানু আক্তার বলেন, গত ৭ আগস্ট সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে মনির হোসেনসহ কয়েকজন ব্যক্তি অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১২ জনকে নিয়ে তার দখলীয় জমিতে প্রবেশ করেন। এ সময় প্রায় ৬০০টি বেগুন গাছ ও ৪৭০টি ঢেঁড়স গাছ উপড়ে ফেলা, জমির বেড়া ভাঙচুর এবং ফলের গাছ কাটার মাধ্যমে আনুমানিক দেড় লাখ টাকার ক্ষতি করা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। একই সঙ্গে জমি দখলের উদ্দেশ্যে বাঁশের বেড়া নির্মাণ এবং বাধা দিতে গেলে তাকে ভয়ভীতি ও হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করেন তিনি।

রানু আক্তার আরও জানান, জমি নিয়ে বিরোধের ঘটনায় তিনি আদালতে পলাশ এম মোকদ্দমা নং-২১৪/২০২৫, ফৌজদারি কার্যবিধির ১৪৫ ধারায় মামলা করেছেন। মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন রয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছে অভিযুক্ত মনির হোসেনের পক্ষ। তাদের দাবি, কাগজপত্র অনুযায়ী বিতর্কিত জমির মালিকানা তাদের রয়েছে। রানু আক্তারের অভিযোগে যে পরিমাণ ফসল ও গাছপালা নষ্ট করার কথা বলা হয়েছে, বাস্তবে তেমন কোনো ক্ষতিসাধনের ঘটনা ঘটেনি।

জমিটির মালিকানা ও দখল নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ রয়েছে। বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন থাকায় জমির প্রকৃত মালিকানা এবং ক্ষয়ক্ষতির অভিযোগ তদন্ত ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়ার বিষয় বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

এ বিষয়ে পলাশ থানা পুলিশের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd