• বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১১:০২ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
মাইক্রোপ্লাস্টিকের ঝুঁকি: খাবারের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করছে ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য হরমুজ প্রণালি সংকটের প্রেক্ষাপটে কানাডার তেলের দিকে ঝুঁকছে এশিয়া ডা. মুরাদ হাসানকে হাজির করতে আদালতের বিজ্ঞাপন প্রকাশের আদেশ মিসরের বন্দরে মার্কিন ট্যাংকারে ড্রোন হামলা, ট্রাম্পের কঠোর হুঁশিয়ারি মুন্সীগঞ্জে এনসিপির বিক্ষোভে ছাত্রদলের পানি বিতরণ মার্কিন সেনাদের ভিডিও ইরানের হামলার লক্ষ্য নির্ধারণে সহায়ক: সেন্টকম প্রধান হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ছাড়বে না ইরান: উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী হবিগঞ্জ ছাত্রদলের সভাপতিসহ শতাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে এনসিপির মামলা পটিয়ায় মুখোশধারী যুবকদের মিছিল, পুলিশ তদন্তে

চট্টগ্রামে চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলের নির্মাণ কাজ শুরু, লাখো কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা

Reporter Name / ১৭ Time View
Update : রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬
চট্টগ্রামে চীনা অর্থনৈতিক অঞ্চলের নির্মাণ কাজ শুরু, লাখো কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা

১৯

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর দক্ষিণ পাড়ে ‘বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক অঞ্চল (চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন)’ নির্মাণের কাজ শুরু হতে যাচ্ছে। সোমবার (২৭ জুলাই) প্রকল্পটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হবে, যা অন্তত এক লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে।

২০১৪ সালে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে এ প্রকল্প নিয়ে সমঝোতা স্মারক সই হয় এবং জমি অধিগ্রহণ ২০১৬ সালে সম্পন্ন হয়। তবে বিভিন্ন প্রশাসনিক জটিলতার কারণে প্রকল্পের কাজ শুরু হয়নি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীন সফরের পর প্রকল্পটিতে নতুন গতি এসেছে।

আনোয়ারার বেলচূড়া এলাকায় প্রায় ৮০০ একর জমির ওপর গড়ে উঠবে এই অর্থনৈতিক অঞ্চল। কর্ণফুলী টানেল, চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর এবং শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিকটবর্তী অবস্থানের কারণে এটি দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম কৌশলগত শিল্প হাব হতে পারে।

প্রকল্পটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন এবং বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন উপস্থিত থাকবেন।

প্রকল্পটির জন্য মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ হাজার ১৮৯ কোটি ৪৬ লাখ টাকা, যার মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ১ হাজার ৭২২ কোটি টাকা এবং চীনের এক্সিম ব্যাংকের ঋণ থেকে ২ হাজার ৪৬৭ কোটি টাকা আসবে। প্রকল্পটি ২০২৭ থেকে ২০৩১ সালের মধ্যে বাস্তবায়িত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd