বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমেছে, যা যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সম্ভাব্য কূটনৈতিক অগ্রগতি এবং সৌদি আরবের তেল রপ্তানি আংশিক চালুর আশায় ঘটেছে। সোমবার তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ১০০ ডলারের কাছাকাছি নেমে আসে, যা গত ১১ দিনের মধ্যে সর্বনিম্ন।
সোমবার ব্রেন্ট ক্রুড ফিউচার্স এবং যুক্তরাষ্ট্রের ডব্লিউটিআই ক্রুডের দাম গত ১০ সেপ্টেম্বরের পর থেকে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে যায়। গ্রিনউইচ মান সময় দুপুর ১২টা ৫৪ মিনিটে নভেম্বরের জন্য নির্ধারিত ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ২ ডলার ৬৯ সেন্ট বা ২ দশমিক ৬ শতাংশ কমে প্রতি ব্যারেল ১০১ ডলার ১৮ সেন্টে দাঁড়ায়।
এদিকে, অক্টোবরের ডব্লিউটিআই চুক্তি অনুযায়ী তেলের দাম ২ ডলার ৬৯ সেন্ট বা ২ দশমিক ৭ শতাংশ কমে প্রতি ব্যারেল ৯৭ ডলার ৬১ সেন্টে নেমেছে। চলতি সপ্তাহে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বৈঠকে যোগ দিতে নিউ ইয়র্কে যাওয়ার কথা রয়েছে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের।
আলজাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের নিরাপত্তা প্রধান মোহসেন রেজায়ির বরাত দিয়ে জানা গেছে, তেহরান পুনরায় আলোচনার জন্য মধ্যস্থতাকারীদের কাছে নিজেদের শর্তগুলো পৌঁছে দিয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত অব্যাহত রয়েছে। ইয়েমেনের ইরানসমর্থিত হুথিরা সৌদি আরামকোর একটি স্থাপনায় হামলা চালানোর দাবি করেছে। সৌদি আরবের অনুরোধের পর চীন ইরানকে হুথিদের সংযত করতে আহ্বান জানিয়েছে।
জেপিমর্গানের বিশ্লেষকরা জানান, সৌদি আরবের পূর্ব-পশ্চিম পাইপলাইনে বিঘ্ন ঘটার পরও মধ্যপ্রাচ্যে তেলের সরবরাহ শক্তিশালী রয়েছে। গত ছয় দিনে হরমুজ প্রণালী দিয়ে প্রতিদিন গড়ে ২৯ লাখ ব্যারেল সৌদি তেল রপ্তানি হয়েছে।
লিবিয়ার ন্যাশনাল অয়েল কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মাসুদ সুলেমান জানিয়েছেন, দেশের শারারা তেলক্ষেত্রের উৎপাদন আংশিক কমেছে, তবে এর সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ জানাননি তিনি।