বিশ্বের বর্তমান পরিস্থিতি স্নায়ুযুদ্ধের পর থেকে সবচেয়ে বিপজ্জনক বলে মনে করা হচ্ছে। ইউক্রেন ও ইরান কেন্দ্রিক দুটি যুদ্ধ আলাদাভাবে চলমান থাকলেও সম্প্রতি এদের মধ্যে পারস্পরিক প্রভাব দেখা যাচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ হলে ইরান যুদ্ধের সমাপ্তিতে ভূমিকা রাখতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এবং ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক এই সংযোগকে আরো স্পষ্ট করেছে। ইউক্রেনের ড্রোন বিশেষজ্ঞরা পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে তাদের অর্জিত অভিজ্ঞতা বিনিময় করেছেন, যা এই সম্পর্কের আরেকটি প্রমাণ।
ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে রাশিয়ার প্রায় ৫ লাখ সেনা নিহত হয়েছে এবং ইউক্রেনের ৫ লাখ ২৫ হাজার থেকে ৬ লাখ ২৫ হাজার সেনা হতাহত বা নিখোঁজ হয়েছে। যুদ্ধের ফলে ইউক্রেনের অবকাঠামো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং লাখ লাখ নাগরিক শরণার্থী জীবন কাটাচ্ছে।
অন্যদিকে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সংঘাতে চারটি পক্ষ মানবিক, অর্থনৈতিক ও সামরিকভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। মার্কিন সেনাসদস্যরা নিহত ও আহত হয়েছেন এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক স্থাপনাগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানিয়েছেন, দ্রুত যুদ্ধ শেষ হবে। তবে ইউক্রেনে রুশ হামলার মাত্রা বাড়ছে এবং প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের প্রস্তাব দিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে বিশ্বকে আরেকটি ভয়াবহ যুদ্ধ এড়াতে হবে।