• মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ১১:৪৭ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
ফ্যামিলি কার্ড শুমারির চাকরি না পেয়ে দুই ছাত্রদল নেতার পদত্যাগ সাভারে সন্ত্রাসীদের অবস্থান সন্দেহে বাড়ি ঘিরে পুলিশ, ৫টি বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধার কক্সবাজারে সাংবাদিককে হুমকির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ জাল অপসারণের দাবি, না হলে জাহাজ চলাচল বন্ধের হুঁশিয়ারি নারীদের উন্নয়ন ছাড়া দেশের সুষম অগ্রগতি সম্ভব নয়: ডিসি ফরিদা টেকনাফের ১৪ নম্বর ব্রীজে ডাকাতির ঘটনায় উদ্বেগ, ৫৭ লাখ টাকা উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত ছাত্রত্ব হারানোর পরও হল ছাড়েননি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদল নেতা কুমিল্লায় ১৪২ ক্যান বিয়ার ও ৩১ বোতল বিদেশি মদসহ গ্রেপ্তার ১।  পলাশে ১৮ শতাংশ জমি দখলের চেষ্টা ও ফসল নষ্টের অভিযোগ, অস্বীকার অভিযুক্ত পক্ষের।  চাঁদপুরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে ৩ যাত্রীর মৃত্যু, আহত ১৫

টেকনাফের ১৪ নম্বর ব্রীজে ডাকাতির ঘটনায় উদ্বেগ, ৫৭ লাখ টাকা উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত

Reporter Name / ২ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬
টেকনাফের ১৪ নম্বর ব্রীজে ডাকাতির ঘটনায় উদ্বেগ, ৫৭ লাখ টাকা উদ্ধারের চেষ্টা অব্যাহত

কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কের দমদমিয়া এলাকায় ১৪ নম্বর ব্রীজে সম্প্রতি ৫৭ লাখ টাকা লুটের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। দিনদুপুরে যাত্রীবাহী বাস থামিয়ে এই ডাকাতির ঘটনা ঘটে, যা এলাকায় ডাকাতি, অপহরণ ও মাদক পাচারের জন্য পরিচিত স্থানটিকে ফের আলোচনায় নিয়ে এসেছে। ঘটনার এক সপ্তাহ পার হলেও লুট হওয়া অর্থ উদ্ধার হয়নি, যা ব্যবসায়ীদের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, লুটের ঘটনায় আক্তার হোসেন, নজরুল ইসলাম, রোহিঙ্গা আয়াস, হোসেন আলী ও রূপবাহারকে আটক করা হয়েছে। এ ছাড়া ২ লাখ ২৬ হাজার ৭০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. অহিদুর রহমান বলেন, লুট হওয়া অর্থের একটি অংশ অস্ত্র কেনার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

টেকনাফ আদালতের বিচারক নাজমুল হাসানের আদালতে রোহিঙ্গা আয়াস ও হোসেন আলী স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেছেন যে, পূর্বে ১১ জানুয়ারি একই প্রতিষ্ঠানের সেলস সুপারভাইজার মো. হানিফের ওপর হামলা চালিয়ে ১৮ লাখ ৩৬ হাজার টাকা লুট করা হয়েছিল, কিন্তু সেই ঘটনায় এখনও কেউ আটক হয়নি।

তদন্তকারী কর্মকর্তাদের মতে, ১৪ নম্বর ব্রিজ এলাকায় একটি সংঘবদ্ধ চক্র দীর্ঘদিন ধরে অপরাধ করছে। তারা অপরাধ সংঘটনের পর পাহাড়ে আশ্রয় নেয়, যা তাদের ধরতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জন্য চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

টেকনাফ মডেল থানার ওসি সাইফুল ইসলাম জানিয়েছেন, ৫৭ লাখ টাকা লুটের ঘটনায় মামলা চলছে এবং তদন্তে অগ্রগতি রয়েছে। তবে মামলার তদন্তের স্বার্থে কিছু তথ্য প্রকাশ করা সম্ভব নয়। পরিবহন মালিক সমিতির নেতারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন, যাতে এই সড়কে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd