• শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:২৪ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
হাসিনার বিএনপি সরকারবিরোধী বক্তব্যে ভারতের কোনো সমর্থন নেই: রণধীর জয়সওয়াল খিলগাঁওয়ে ব্যবসায়ীর ওপর হামলার অভিযোগ, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি ভারি বৃষ্টির সতর্কবার্তা, ১০ জেলায় বন্যার শঙ্কা রাষ্ট্রপতি পদে ড. ইউনূসের প্রস্তাব নেই, মির্জা ফখরুলের নাম আলোচনায় হরমুজে জাহাজ চলাচলে ফি নেওয়ার পরিকল্পনায় তেলের দাম বেড়েছে ফেসবুকে বাংলাদেশের উদ্যোক্তাদের জন্য নতুন পেমেন্ট সুবিধা আসছে অস্ট্রেলিয়ার নাগরিকত্ব পেলেন ইরানি দুই নারী ফুটবলার ফারাক্কা চুক্তি নবায়নে বিরোধিতা করেছেন ভারতীয় এমপি সঞ্জয় কুমার ঝা ভারত-ব্রাজিল ম্যাচ নিয়ে জটিলতা, আসছে নতুন সিদ্ধান্ত সৌদি সফরে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান

হরমুজে জাহাজ চলাচলে ফি নেওয়ার পরিকল্পনায় তেলের দাম বেড়েছে

Reporter Name / ০ Time View
Update : শুক্রবার, ৭ আগস্ট, ২০২৬
হরমুজে জাহাজ চলাচলে ফি নেওয়ার পরিকল্পনায় তেলের দাম বেড়েছে

হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু হওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং ইরানের জাহাজ চলাচলে ফি আরোপের পরিকল্পনার কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। শুক্রবার (৭ আগস্ট) বাংলাদেশ সময় দুপুরের দিকে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি ৭৫ সেন্ট বেড়ে ৮৩ দশমিক ২৪ ডলারে পৌঁছেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ৪২ সেন্ট বেড়ে ৭৭ দশমিক ৭১ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবারও তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৩ ডলারের বেশি বেড়ে গিয়েছিল। ইরান মার্কিন ও ইসরায়েলি জাহাজ নিষিদ্ধ করতে একটি বিল পর্যালোচনা করছে, যা বাজারে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। যুদ্ধ শুরুর আগে এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ দিয়ে বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবহন হতো।

চলতি সপ্তাহের শুরুতে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতের সম্ভাব্য সমাধানের আশা তৈরি হওয়ায় তেলের দাম কমেছিল। তবে বিশ্লেষকদের মতে, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার উত্তেজনা এখনো শেষ হয়নি। রিস্ট্যাড এনার্জির বিশ্লেষক লিন ইয়ে জানান, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের বিষয়ে ইরানের পরিকল্পনার প্রতিক্রিয়ায় তেলের বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে।

এক ইরানি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজ থেকে পণ্য পরিবহনের মূল্যের ৫ থেকে ৭ শতাংশ পর্যন্ত ফি নেওয়ার পরিকল্পনা করছে তেহরান। অন্যদিকে, ওমান প্রায় ৩ শতাংশ ফি নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করছে। তবে যুক্তরাষ্ট্র কোনো ফি আরোপের পক্ষে নয়।

এ পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীদের দৃষ্টি এখন যুক্তরাষ্ট্রের কর্মসংস্থান প্রতিবেদনের দিকে। শুক্রবার প্রকাশিত হতে যাওয়া এই তথ্যের ভিত্তিতে মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভের পরবর্তী সুদের হার–সংক্রান্ত সিদ্ধান্তের আভাস মিলতে পারে। বিশ্লেষকদের মতে, সুদের হার বাড়ানো হলে ভোক্তা ব্যয় ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমে যেতে পারে, যা জ্বালানি তেলের চাহিদার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd