• শুক্রবার, ০৭ অগাস্ট ২০২৬, ১১:০৩ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
ফখরউদ্দিন আহমেদ: ১৭ বছর ধরে ভোটাধিকার হরণ করেছে সরকার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের আপত্তিকর ছবি তুলে পাঠানোর অভিযোগ ঠাকুরগাঁওয়ে অনলাইন জুয়ার ৩৮ অ্যাপ পরিচালনার অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার ট্রাম্পের নতুন নির্বাহী আদেশে জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব সীমিত করার চেষ্টা ইয়েমেনের সামরিক ঘাঁটিতে হুতি হামলায় নিহত ৩০ দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বেড়েছে, নতুন মূল্য তালিকা প্রকাশ মুজিবনগরে অনলাইন ক্যাসিনোর এজেন্ট ওয়াসিম হালদার গ্রেপ্তার এনসিপির ভবিষ্যৎ ফ্রিডম পার্টির মতো হবে: নুরুল হক নুর নারী এশিয়া কাপের সূচি প্রকাশ, ভারত-পাকিস্তান একই গ্রুপে জমঈয়তে শুব্বানে আহলে হাদীস বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত

সাবেক ভূমিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ২৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন

Reporter Name / ০ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬
সাবেক ভূমিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ২৫ কোটি টাকা আত্মসাৎ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন

ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি) থেকে ভুয়া প্রতিষ্ঠানের নামে ২৫ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে বিদেশে পাচারের অভিযোগে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদ ও তার স্ত্রী রুখমিলা জামানসহ ৩৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা সম্পন্ন হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ মিজানুর রহমানের আদালতে এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

দুদকের পিপি মোকাররম হোসাইন জানান, গত ৪ এপ্রিল শুরু হওয়া সাক্ষ্যগ্রহণে এ পর্যন্ত মোট ৩৭ জন সাক্ষী আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। পরবর্তী সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ১৬ আগস্ট দিন ধার্য করা হয়েছে।

দুদকের অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, সাইফুজ্জামান চৌধুরী তার মালিকানাধীন আরামিট গ্রুপের প্রটোকল কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফরমান উল্লাহ চৌধুরীকে মালিক দেখিয়ে ‘ভিশন ট্রেডিং’ নামে একটি অস্তিত্বহীন প্রতিষ্ঠান তৈরি করেন। পরে জাল নথিপত্র ব্যবহার করে ইউসিবির পোর্ট শাখা থেকে ২৫ কোটি টাকার ঋণ নেওয়া হয়।

অভিযোগপত্র অনুযায়ী, ব্যাংকের ঋণঝুঁকি ব্যবস্থাপনা বিভাগ ১৭টি নেতিবাচক পর্যবেক্ষণ দিলেও তৎকালীন চেয়ারম্যান রুখমিলা জামানের প্রভাব এবং সাইফুজ্জামান চৌধুরীর হস্তক্ষেপে ঋণটি অনুমোদন করা হয়। তদন্তে আরও উঠে এসেছে, তিনি ব্যাংকটিতে ‘ডি-ফ্যাক্টো’ চেয়ারম্যান হিসেবে প্রভাব বিস্তার করতেন।

দুদকের দাবি, ঋণের ২৫ কোটি টাকার মধ্যে প্রায় ১৪ কোটি ৯১ লাখ টাকা সাইফুজ্জামান চৌধুরীর স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান আরামিট সিমেন্ট ও আরামিট থাই অ্যালুমিনিয়ামের পুরোনো দেনা পরিশোধে ব্যবহার করা হয়। বাকি প্রায় ৯ কোটি ৪১ লাখ টাকা নগদে তুলে হুন্ডি ও হাওলার মাধ্যমে দুবাইসহ বিভিন্ন দেশে পাচার করা হয়।

তদন্ত চলাকালে রুখমিলা জামানের গাড়িচালকের এক প্রতিবেশীর বাসা থেকে ২৩ বস্তা নথি ও আলামত উদ্ধার করা হয়। দুদকের ভাষ্য, ওই নথিতে বিদেশে সাইফুজ্জামান চৌধুরীর প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা মূল্যের ১ হাজার ১০০টির বেশি ফ্ল্যাট ও রিয়েল এস্টেট কেনার তথ্য পাওয়া যায়।

এর আগে ২০২৪ সালের ৭ অক্টোবর আদালত সাইফুজ্জামান চৌধুরী ও রুখমিলা জামানের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেন। তবে দুদকের তথ্যমতে, তারা এর আগেই বিদেশে চলে যান।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd