র্যাব বিলুপ্তির পর পুলিশের বিশেষায়িত ইউনিট এসআরবি গঠন হওয়ার পর তারা তিন দিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ১৬৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। এ সময় এসআরবি তাদের কাছ থেকে অস্ত্র ও বিভিন্ন ধরনের মাদক উদ্ধার করে। গত বুধবার থেকে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত এসব অভিযান পরিচালিত হয়।
এসআরবির আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী জানান, গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে হত্যা, নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, অবৈধ অস্ত্র বহন, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মাদক কারবার, ডাকাতি, প্রতারণা, জাল টাকার কারবার, জুয়া খেলা, চোরাচালানি ও নাশকতা সৃষ্টির অভিযোগ রয়েছে।
এসআরবি জানায়, অভিযানের সময় তারা ৯টি আগ্নেয়াস্ত্র, আধা কেজির বেশি হেরোইন, ২৩১ বোতল ফেনসিডিল, ২০০ কেজি গাঁজা, ৫ হাজার ইয়াবা বড়ি ও ২৯ লিটার দেশি-বিদেশি মদ উদ্ধার করে।
গত মঙ্গলবার স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)-২০২৬ আইনের প্রজ্ঞাপন গেজেটে প্রকাশ করে সরকার। এর মাধ্যমে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) বিলুপ্ত করে এসআরবি নামে পুলিশের আওতাধীন একটি নতুন বিশেষায়িত ইউনিট চালু হয়।
র্যাবের সংশ্লিষ্ট জনবল, আদেশ, ক্ষমতা, কর্তৃত্ব, বিদ্যমান সুবিধা, তহবিল, নগদ ও ব্যাংকে রাখা অর্থ, দায়, চুক্তি, স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি, সব হিসাব বই, রেজিস্ট্রার, রেকর্ডপত্র ও এ-সংক্রান্ত সব দলিল এসআরবির কাছে স্থানান্তরিত ও ন্যস্ত করা হয়েছে।