ইরান দাবি করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্র সামরিক অভিযানে পরাজিত হয়েছে এবং এই পরাজয়ের প্রমাণ হিসেবে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার কথা উল্লেখ করেছে। ইরানের বিপ্লবী গার্ড আইআরজিসির মুখপাত্র সরদার মোহেবি এই মন্তব্য করেছেন।
ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব মেজর জেনারেল মোহসেন রেজায়ি বলেছেন, আঞ্চলিক দেশগুলো নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে এবং যুক্তরাষ্ট্রের এই অঞ্চলে কোনো স্থান থাকবে না। তিনি ইরাকের সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ফায়েক জেইদানের সঙ্গে বৈঠকে ইরান ও ইরাকের ঐতিহাসিক সম্পর্কের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
চীন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান বলেছেন, চীন এই নিষেধাজ্ঞার তীব্র বিরোধিতা করছে এবং তাদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট নতুন অর্থনৈতিক ব্যবস্থার ঘোষণা দিয়েছেন, যেখানে তিনি সতর্ক করেছেন যে, ইরানের সঙ্গে আর্থিক অংশীদারিত্ব রাখা যে কোনো দেশকে বিচ্ছিন্ন করা হবে। কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজিদ আনসারী এই নিষেধাজ্ঞাগুলোকে একতরফা বলে উল্লেখ করেছেন এবং মধ্যস্থতার মাধ্যমে সংকট সমাধানের পক্ষপাতী।
যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর আইআরজিসির শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে এবং তাদের অবস্থান ও নেটওয়ার্ক সংক্রান্ত তথ্য দেওয়ার জন্য ১০ মিলিয়ন ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছে। এই কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন আইআরজিসি প্রধান আহমেদ ওয়াহিদি এবং অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তারা।