• বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২:২৩ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
নেপাল-চীন সীমান্তে বন্যায় ১৫০০ নিখোঁজ, ৮০০ জন বিদেশি নাগরিক রাসুলুল্লাহ (স.)-এর নামাজে শিশুর কান্নার প্রতি মানবিক দৃষ্টান্ত রাবিতে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে দুই বিভাগের শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ, আহত ৪ ফুলবাড়ী কয়লাখনি নিয়ে অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যকে দায়িত্বহীন বললেন অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ যুক্তরাষ্ট্রের সরকারি সংস্থায় চীনা হ্যাকারদের সাইবার হামলার চেষ্টা ব্যর্থ নেপালে বন্যাদুর্গতদের জন্য ৫ লাখ ডলার সহায়তা দেবে যুক্তরাষ্ট্র গাজীপুরে ঝুটের গোডাউনে অগ্নিকাণ্ড, নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট তিস্তা মহাপরিকল্পনার কাজ ২০২৭ সালে শুরু হবে: পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস বগুড়ায় ট্রাকচাপায় সেলসম্যানের মৃত্যু

গ্যাস সংকট ও লোডশেডিংয়ে পাঠ্যবই ছাপাতে জটিলতা

Reporter Name / ৬ Time View
Update : শনিবার, ২২ আগস্ট, ২০২৬
গ্যাস সংকট ও লোডশেডিংয়ে পাঠ্যবই ছাপাতে জটিলতা

আগামী শিক্ষাবর্ষের বিনা মূল্যের পাঠ্যবই ছাপানো নিয়ে জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। গ্যাস সংকট ও চলমান লোডশেডিংয়ের কারণে শিক্ষার্থীদের হাতে বই পৌঁছানোর সরকারি প্রতিশ্রুতি রক্ষা নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বিভিন্ন ছাপাখানা সূত্রে জানা গেছে, গ্যাস সংকটের কারণে কাগজ খাতের উৎপাদন ক্ষমতা অর্ধেকের নিচে নেমে এসেছে। চলমান লোডশেডিং অব্যাহত থাকলে মার্চের আগে পাঠ্যবই পৌঁছানো সম্ভব হবে না। ইতিমধ্যে ৩০টি লটের জন্য ১১টি প্রেস বই ছাপানোর কাজ শুরু করেছে, তবে কাগজের সংকট ও বিদ্যুৎ সমস্যা বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

দুটি ছাপাখানার মালিক জানিয়েছেন, অধিকাংশ প্রেস রাজধানীর বাইরে অবস্থিত, যেখানে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ প্রয়োজন। লোডশেডিংয়ের কারণে কাজ সময়মতো এগুচ্ছে না, ফলে নির্ধারিত ৭০ দিনে কাজ শেষ করা চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এছাড়া, কিছু ছাপাখানা নিম্নমানের কাগজ ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) ইন্সপেকশন এজেন্ট দুটি ছাপাখানার ১৩২ টন নিম্নমানের কাগজ বাতিল করেছে। এনসিটিবির সদস্য অধ্যাপক আবু নাসের টুকু জানিয়েছেন, বইয়ের মান নিশ্চিত করতে তারা কঠোর অবস্থানে রয়েছেন।

এনসিটিবি জানায়, মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যবইয়ের জন্য উজ্জ্বলতা, বার্স্টিং ফ্যাক্টর ও অপাসিটি নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে, সরকারি বই ছাপানোর কাজে প্রতিযোগিতার অভাব ও দর প্রস্তাবের অস্বাভাবিকতা সরকারি ব্যয়ের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd