রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা সংঘাত এড়াতে সচেষ্ট রয়েছেন। দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটলেও রাবিতে দুই সংগঠনই সহাবস্থান বজায় রেখেছে। রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকা সত্ত্বেও উভয় পক্ষ সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনায় মনোযোগী হয়েছে।
সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে, যা রাজনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। তবে রাবির পরিস্থিতি ভিন্ন। দুই সংগঠনের মধ্যে রাজনৈতিক বিরোধ থাকলেও তা সংঘাতে রূপ নেয়নি। উভয় পক্ষই সংঘাত এড়িয়ে চলার বিষয়ে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।
রাবি ক্যাম্পাসে হল দখলসহ বিভিন্ন ইস্যুতে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ ও মানববন্ধনের ঘটনা ঘটেছে। তবে এসব ঘটনা সরাসরি সংঘাতে গড়ায়নি। রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘাত হলে সাংগঠনিক ও রাজনৈতিকভাবে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
রাবি শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী জানিয়েছেন, ছাত্রদল নিরাপদ ক্যাম্পাস নিশ্চিত করতে চায়। তিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য কোনো সংঘাত সৃষ্টি করা নয়, বরং শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।’
অন্যদিকে, রাবি শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি মেহেদী হাসান জানান, তারা ক্যাম্পাসে গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় রাখতে কাজ করছেন। তিনি বলেন, ‘আমরা সংঘাতে জড়াতে চাই না এবং শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে যা প্রয়োজন, তাই করব।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুবর রহমান জানিয়েছেন, ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং প্রশাসন উভয়পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। তিনি বলেন, ‘যদি সংঘাতের আশঙ্কা দেখা দেয়, তাহলে পুলিশ প্রশাসন তা নিয়ন্ত্রণ করবে।’