• মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৫৪ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
দিনাজপুরের শেখপুরায় বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত, হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থকের উপস্থিতি জাতীয় যুব দিবস ২০২৬” উদযাপন “দক্ষ যুব গড়বে দেশ,সবার জন্য বাংলাদেশ” মোছাঃ তহমিনা বেগম বিউটি ১৫ বছরেও শেষ হয়নি লোকমান হোসেন হত্যা মামলার বিচার, নরসিংদীতে একের পর এক হত্যাকাণ্ড ঘিরে বাড়ছে প্রশ্ন নরসিংদীর রায়পুরায় নদীর তীরে বস্তাবন্দি যুবকের পচাগলা মরদেহ উদ্ধার যশোরে শিক্ষা বোর্ডের শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে যশোর, তলানিতে নড়াইল ক্যান্সার প্রতিরোধে সকলকে সচেতন হতে হবে দিনাজপুরে সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. জাহিদ হোসেন এমপি ভারত থেকে ফিরে আসতে হলো ১০ বাংলাদেশি নারী নরসিংদীতে বসতবাড়িতে হামলা-ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ, ১২ জনের বিরুদ্ধে নারীর লিখিত অভিযোগ গুলশান-২ থেকে ১,০০১ বোতল বিদেশি মদ ও বিয়ারসহ একজন গ্রেপ্তার তারাগঞ্জে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চালের মান নিয়ে অসন্তোষ, তদন্তের আশ্বাস খাদ্য বিভাগের

চট্টগ্রাম বন্দরে ৫ কনটেইনার পণ্য ধ্বংস করেছে কাস্টমস

Reporter Name / ৫০ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৬ আগস্ট, ২০২৬
চট্টগ্রাম বন্দরে ৫ কনটেইনার পণ্য ধ্বংস করেছে কাস্টমস

১০৩

চট্টগ্রাম বন্দরে দীর্ঘদিন পড়ে থাকা পাঁচ কনটেইনার পণ্য ধ্বংস করেছে চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) কাস্টমস অকশন শেডে রোলার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় এসব পণ্য, যার মধ্যে রয়েছে মেয়াদোত্তীর্ণ এনার্জি ড্রিংক ও ছাড়পত্রবিহীন শ্যাম্পু।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের সহকারী কমিশনার রাসেল আহমেদ জানান, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নির্দেশনা অনুযায়ী ধ্বংস কমিটির সিদ্ধান্তে এই পণ্যগুলো ধ্বংস করা হয়েছে। ধ্বংস করা চার কনটেইনারে ৮৩ টনের বেশি ‘রয়েল টাইগার এনার্জি ড্রিংক’ এবং একটি কনটেইনারে চার টনের বেশি ব্যক্তিগত পরিচর্যাপণ্য ছিল।

কাস্টমস সূত্র জানায়, এনার্জি ড্রিংকের উৎপাদনের তারিখ ছিল ২০১৮ সালের ২৪ ডিসেম্বর এবং এর মেয়াদ শেষ হয় ২০১৯ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর। অন্যদিকে, শ্যাম্পুর চালানটির জন্য বিএসটিআই থেকে প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র পাওয়া যায়নি।

শ্যাম্পুর চালানটি গাজীপুরের টঙ্গী শিল্পাঞ্চলের ‘ম্যাক পয়েন্ট’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের নামে আমদানি করা হয়েছিল। এনার্জি ড্রিংকের আমদানিকারক ছিল নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের ‘গ্লোব সফট ড্রিংক লিমিটেড’।

আমদানি করা পণ্য জাহাজ থেকে বন্দর ইয়ার্ডে নামার ৩০ দিনের মধ্যে সরবরাহ নিতে হয়। নোটিশ দেওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে পণ্য সরবরাহ না হলে তা নিলামে তোলা যায়। নিলামে বিক্রি না হলে বা পণ্যের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে জনস্বার্থ বিবেচনায় এসব পণ্য ধ্বংসের উদ্যোগ নেওয়া হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd