• বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬, ০৩:০৬ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠীর ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা সৌদির তেল ট্যাংকারে গুলশান থেকে সাবেক এমপি আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার শিক্ষকদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদ জানাল প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের টেন্ডার প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশাসনের ব্যাখ্যা বেরোবিতে ছাত্রদল-শিবিরের একত্রে অংশগ্রহণ, পরিস্থিতি স্বাভাবিক সাকিব আল হাসানের বাড়িতে পেট্রল বোমা নিক্ষেপের ঘটনা জুলাইয়ের আজাদি একক কোনো ব্যক্তি বা দলের নয়: বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন জুলাইয়ের গণআন্দোলন: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের বক্তব্য রাষ্ট্রপতির উপস্থিতিতে বিব্রত নাহিদ ইসলাম জুলাই গণঅভ্যুত্থান সফল হয়েছিল তারেক রহমানের নেতৃত্বে: শামীম

কেনিয়ায় ১৫ হাতির রহস্যজনক মৃত্যু, কীটনাশক নিয়ে প্রশ্ন

Reporter Name / ১৭ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬
কেনিয়ায় ১৫ হাতির রহস্যজনক মৃত্যু, কীটনাশক নিয়ে প্রশ্ন

১৮

কেনিয়ার অ্যাম্বোসেলি জাতীয় উদ্যানের পার্শ্ববর্তী এলাকায় ১৫টি হাতির রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে টমেটো খামারে ব্যবহৃত কীটনাশকের বিষক্রিয়াকে দায়ী করা হলেও, স্থানীয় কৃষক ও পরিবেশ সংরক্ষণবিদরা সরকারি এই দাবি মানতে নারাজ।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কেনিয়া ওয়াইল্ডলাইফ সার্ভিস (কেডব্লিউএস) জানিয়েছে, গত ২৪ জুন থেকে ২৪ জুলাইয়ের মধ্যে মারা যাওয়া হাতিগুলোর শরীরে পক্ষাঘাতের লক্ষণ দেখা গেছে। কেডব্লিউএস-এর প্রধান পশুচিকিৎসক ডক্টর আইজ্যাক লেকোলুল জানান, মৃত হাতিগুলোর পাকস্থলী থেকে নেওয়া নমুনায় মারাত্মক রাসায়নিক সায়ানাইডের উপস্থিতি পাওয়া গেছে।

ডক্টর লেকোলুল বলেন, তারা ইচ্ছাকৃতভাবে বিষ প্রয়োগের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছেন না, তবে এই পর্যায়ে হাতিগুলোর মৃত্যুর সঠিক কারণ বলা সম্ভব নয়। তিনি জানান, টমেটো ক্ষেতে ব্যবহৃত কীটনাশকের মাধ্যমে হাতিগুলো বিষাক্ত পদার্থের সংস্পর্শে আসতে পারে।

গবেষণা সংস্থা ‘রুট টু ফুড’-এর ২০২৪ সালের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, কেনিয়ায় নিষিদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও বিপজ্জনক কৃষি রাসায়নিক পাচার হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা সরকারি তদন্তের ওপর প্রশ্ন তুলছেন, কেননা মৃত হাতিগুলোর মধ্যে মাত্র একটি পুরুষ এবং বাকিগুলো ছিল স্ত্রী ও ছোট হাতি, যা হাতির স্বাভাবিক আচরণের সঙ্গে মেলে না।

সংরক্ষণ সংস্থা ‘সেভ দ্য এলিফ্যান্টস’-এর প্রধান নির্বাহী ফ্র্যাঙ্ক পোপ জানান, অপরিকল্পিত ভূমি ব্যবহারের কারণে হাতিরা ফসলি জমিতে হানা দিচ্ছে, যা কৃষকদের জন্য বিপুল আর্থিক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। হাতিগুলোর মৃত্যুর আসল কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি, তবে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে না এলে অবশিষ্ট হাতি ও স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd