• বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০২:২৫ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
জামালপুরে সেপটিক ট্যাংকে বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার ভারতীয় ক্রিকেট দলের জন্য মাঠের বাউন্ডারি বড় করার পরামর্শ দিয়েছেন গাভাস্কার পটুয়াখালীতে জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা, গর্ভপাতের অভিযোগ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মরদেহের রহস্য উন্মোচন: তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ বাড্ডায় গৃহকর্ত্রী আফরোজা হত্যায় গাড়িচালকের মৃত্যুদণ্ড আগস্টে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, মির্জা ফখরুল আলোচনায় সিআইডির নতুন প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নিলেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন মাইক্রোপ্লাস্টিক: টুথপেস্ট ছাড়াও দৈনন্দিন পণ্যে ক্ষতিকর উপাদান বাংলাদেশে মুক্তি পাচ্ছে ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’ ইউসিবি ব্যাংকে বিজনেস ইন্টেলিজেন্স অফিসার পদে নিয়োগ, আবেদন ২৭ আগস্ট পর্যন্ত

রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মরদেহের রহস্য উন্মোচন: তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ

Reporter Name / ১ Time View
Update : বুধবার, ২৯ জুলাই, ২০২৬
রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মরদেহের রহস্য উন্মোচন: তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ

১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান হত্যাকাণ্ডের পর তার মরদেহ কোথায় নেওয়া হয়েছিল, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রশ্ন ছিল। সম্প্রতি ডেইলি স্টার ওই ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, যেখানে মরদেহের অবস্থান এবং ঘটনার বিস্তারিত তথ্য রয়েছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মরদেহে ২০টি গুলির ক্ষত পাওয়া যায়। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে দেখা যায়, তার মুখে কয়েকটি গুলি লেগেছিল এবং ঘাড়ের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। এছাড়া, বুক ও পেটে প্রায় ১০টি গুলির ক্ষত ছিল।

ঘটনার দিন সকালে রাষ্ট্রপতির মরদেহ সার্কিট হাউসের ৪ নম্বর কক্ষের সামনে পড়ে ছিল। প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করার পর সেখানে কেবল জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) দুই কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তারা উদ্বিগ্ন ও বিভ্রান্ত ছিলেন এবং পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যর্থ হন।

সকাল সাড়ে ৮টায় দুটি সামরিক জিপ সার্কিট হাউসে পৌঁছায় এবং সেখানে তিনজন মেজর ও ১০-১৫ জন সিপাহী উপস্থিত হন। তারা এনএসআইয়ের দুই কর্মকর্তাকে অস্ত্রের মুখে দোতলায় নিয়ে যান এবং রাষ্ট্রপতির কক্ষে তল্লাশি চালান। পরে মরদেহটি একটি সাদা চাদর দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়।

মরদেহটি অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়ার পর স্থানীয় কর্তৃপক্ষের কাছে এর অবস্থান সম্পর্কে কোনো তথ্য ছিল না। পরদিন, ১ জুন, সেনাবাহিনী মরদেহের খোঁজ শুরু করে এবং পরে তা ঢাকায় আনা হয়। রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতার পর ২ জুন তাকে চন্দ্রিমা উদ্যানে দাফন করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd