• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩১ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
গুলশান-২ থেকে ১,০০১ বোতল বিদেশি মদ ও বিয়ারসহ একজন গ্রেপ্তার তারাগঞ্জে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চালের মান নিয়ে অসন্তোষ, তদন্তের আশ্বাস খাদ্য বিভাগের সুনামগঞ্জের হালুয়ারঘাট এলাকায় সাংবাদিকতার পরিচয়ে হাসান আলীর বিরুদ্ধে চাদাঁবাজির অভিযোগে এলাকাবাসির মানববন্ধন দিনাজপুরের বিরামপুরে দিনব্যাপী জব কেয়ার চাকুরী মেলা অনুষ্ঠিত।  সাতক্ষীরার কৃষ্ণনগরে চলাচলের পথ বন্ধের অভিযোগ, দুর্ভোগে পরিবার যশোরের বেনাপোল-খড়িডাঙ্গা পাকা সড়কে সৃষ্টি হয়েছে স্থায়ী জলাবদ্ধতা, দুর্ভোগে ১০ গ্রামের মানুষ রায়পুরায় চলন্ত বাসে পুলিশের অভিযান, ১৪০ রাউন্ড সিসার গুলিসহ নারী আটক নবীনগরে সাংবাদিকদের গাড়ি আটকে চাঁদা দাবির অভিযোগ যুবদল নেতার বিরুদ্ধে নরসিংদীতে অবৈধ গ্যাস সংযোগের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা ৩ লাখ ১৫ হাজার টাকা পঞ্চগড়ে সড়কের টোল আদায়ে অনিয়মের অভিযোগ, চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে রাজস্ব আত্মসাতের দাবি

সাগর-রুনি হত্যা মামলায় এনাম আহমেদের মুক্তির দাবি

Reporter Name / ৪৪ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সাগর-রুনি হত্যা মামলায় এনাম আহমেদের মুক্তির দাবি

৬৭

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে ভবনের নিরাপত্তাকর্মী এনাম আহমেদকে ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে গ্রেফতার করা হয়। সাড়ে ১৩ বছর কারাগারে কাটানোর পরও তার বিরুদ্ধে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কোনো সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এনামের পরিবার তার মুক্তি দাবি করেছে।

নিহত সাংবাদিক মেহেরুন রুনির ভাই নওশের আলম রোমান বলেন, এনামকে জামিন দিয়ে মুক্তি দেওয়া হোক এবং তার চিকিত্সার ব্যবস্থা করা হোক। তিনি সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

সম্প্রতি পিবিআই ঢাকা মেট্রো উত্তর বিভাগের তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এনাম আহমেদের বিরুদ্ধে সাগর-রুনি হত্যায় জড়িত থাকার কোনো সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ২২ এপ্রিল কাশিমপুর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে তাকে পুনরায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, তবে তিনি সুনির্দিষ্ট উত্তর দিতে পারেননি।

কারা কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, দীর্ঘ বন্দিত্বের কারণে এনাম মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছেন এবং তাকে আলাদা একটি ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে। তার দ্রুত চিকিত্সার প্রয়োজন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এনামের মা ফাতেমা বেগম বলেন, তদন্তের দীর্ঘ সময়েও তার বিরুদ্ধে কোনো অপরাধ প্রমাণিত হয়নি।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের একটি ফ্ল্যাট থেকে সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় এ পর্যন্ত ১১২ বার পিছিয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd