নরসিংদী প্রতিনিধি
নরসিংদীর করিমপুরের মো. রমজান আলীকে প্রতারণার মামলায় দণ্ডবিধির ৪২০ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে ১ বছর ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অর্থদণ্ড পরিশোধে ব্যর্থ হলে তাকে আরও ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
রোববার (৪ অক্টোবর) নরসিংদীর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১ম আদালতের বিচারক মো. মেহেদী হাসান এ রায় ঘোষণা করেন।
আদালতের সাজা পরোয়ানা সূত্রে জানা যায়, মামলায় মো. রমজান আলী একমাত্র আসামি। তিনি নরসিংদী সদর উপজেলার করিমপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের কেরামত কামাল বয়েজ স্কুলসংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা। তার বাবার নাম মো. শওকত আলী।
আদালতের রায়ে দণ্ডবিধির ৪২০ ধারায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করে ১ বছর ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। নির্ধারিত অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে অতিরিক্ত ১ মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।
আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী, উপস্থিত আসামিকে সাজা পরোয়ানার মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানোর কথা বলা হয়েছে। মামলায় এর আগে তিনি যে সময় হাজতবাস করেছেন, ফৌজদারি কার্যবিধি, ১৮৯৮-এর ৩৫এ ধারার বিধান অনুযায়ী তা সাজার মেয়াদ থেকে কর্তনযোগ্য হবে।
রায়ের পর নরসিংদী জেলা কারাগারের তত্ত্বাবধায়ককে সাজা পরোয়ানাসহ আসামিকে জেল হেফাজতে রাখার এবং আইন অনুযায়ী আদালতের দেওয়া দণ্ড কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আদালতের স্বাক্ষর ও সিলমোহরসহ ৪ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে এ সাজা পরোয়ানা জারি করা হয়।
উল্লেখ্য, প্রতারণার অভিযোগে দায়ের করা মামলাটিতে আদালতের রায়ে মো. রমজান আলীকে দণ্ডবিধির ৪২০ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে। আদালতের রায়ের ভিত্তিতেই তার বিরুদ্ধে এ সাজা কার্যকর করা হচ্ছে।