• শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:১০ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
সরকারের খাদ্য মজুত বেড়েছে দেড় লাখ টনের বেশি পাইপলাইনে হামলার পর সৌদি আরবের তেল সরবরাহ বন্ধ ভিক্ষার টাকায় নিজের দাফন সম্পন্ন করলেন ওয়াহাব পাটোয়ারী সৌদি আরবের প্রতিবাদ, সিরিয়ায় নেতানিয়াহুর সফরকে অবৈধ ঘোষণা পাকিস্তানের অভিষিক্ত বোলারের রেকর্ডগড়া ব্যাটিংয়ে টেস্টে ফিরে আসা ইয়েমেনে হুথিদের ছদ্মবেশী যুদ্ধকৌশল নিয়ে উদ্বেগ বরিশালে সাংবাদিক পুলক চ্যাটার্জীর লাশের সঙ্গে ৫টি সুইসাইড নোট উদ্ধার এক্সপ্রেসওয়েতে মোটরসাইকেল রেসে তরুণের মৃত্যু, বন্ধুরা পালিয়ে গেছে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলায় চীনা উপগ্রহের ছবি ব্যবহার করেছে ইরান শিক্ষাব্যবস্থায় অনিয়মের অভিযোগ: উদ্বেগের কারণ

সাগর-রুনি হত্যা মামলায় এনাম আহমেদের মুক্তির দাবি

Reporter Name / ১ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সাগর-রুনি হত্যা মামলায় এনাম আহমেদের মুক্তির দাবি

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবে ভবনের নিরাপত্তাকর্মী এনাম আহমেদকে ২০১৩ সালের ফেব্রুয়ারিতে গ্রেফতার করা হয়। সাড়ে ১৩ বছর কারাগারে কাটানোর পরও তার বিরুদ্ধে হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কোনো সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এনামের পরিবার তার মুক্তি দাবি করেছে।

নিহত সাংবাদিক মেহেরুন রুনির ভাই নওশের আলম রোমান বলেন, এনামকে জামিন দিয়ে মুক্তি দেওয়া হোক এবং তার চিকিত্সার ব্যবস্থা করা হোক। তিনি সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে সঠিক তদন্তের মাধ্যমে বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

সম্প্রতি পিবিআই ঢাকা মেট্রো উত্তর বিভাগের তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এনাম আহমেদের বিরুদ্ধে সাগর-রুনি হত্যায় জড়িত থাকার কোনো সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ২২ এপ্রিল কাশিমপুর ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে তাকে পুনরায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, তবে তিনি সুনির্দিষ্ট উত্তর দিতে পারেননি।

কারা কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, দীর্ঘ বন্দিত্বের কারণে এনাম মানসিক ভারসাম্যহীনতায় ভুগছেন এবং তাকে আলাদা একটি ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে। তার দ্রুত চিকিত্সার প্রয়োজন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এনামের মা ফাতেমা বেগম বলেন, তদন্তের দীর্ঘ সময়েও তার বিরুদ্ধে কোনো অপরাধ প্রমাণিত হয়নি।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজধানীর পশ্চিম রাজাবাজারের একটি ফ্ল্যাট থেকে সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় এ পর্যন্ত ১১২ বার পিছিয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd