• শনিবার, ১৫ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:১৮ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
রাজধানীতে ফিলিং স্টেশনে ১ কোটি ২১ লাখ টাকার ডাকাতি, ৫ জন গ্রেপ্তার ভারত-বাংলাদেশের সম্পর্ক এগিয়ে যাচ্ছে অভিন্ন ইতিহাস ও অংশীদারত্বে: দীনেশ ত্রিবেদী ট্রাম্পের হরমুজ প্রণালিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ড ঘোষণা করার হুমকি হোসে মরিনহোর কোচিং ক্যারিয়ারের সেরা ১০ সাইনিং দেশে ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম, ভরি ২ লাখ ৩৬ হাজার ৭৭৯ টাকা বাংলাদেশ ৪২৬ রানে অলআউট, ২২৮ রানের লিড ফেরদৌস স্টিলের ঝুঁকিপূর্ণ কাজ: ৯ শ্রমিকের মৃত্যু, নিরাপত্তার ঘাটতি নিয়ে মামলা ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্প, সুনামির সতর্কতা প্রত্যাহার রাজধানীতে আজকের গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি হরমুজে নৌ চলাচলে বাধা, পাঁচ ইরানির ওপর কানাডার নিষেধাজ্ঞা

বিদ্যুৎ সংকটে ৮০ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির নিরাপত্তা চেয়ে পুলিশের কাছে চিঠি

Reporter Name / ৭ Time View
Update : বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬
বিদ্যুৎ সংকটে ৮০ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির নিরাপত্তা চেয়ে পুলিশের কাছে চিঠি

১৭

দেশে বিদ্যুৎ সংকট তীব্র হয়ে উঠেছে, বিশেষ করে তীব্র গরমের মধ্যে। বিভিন্ন স্থানে দিনে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা লোডশেডিংয়ের কারণে জনজীবনে চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে। বিদ্যুৎ না থাকায় ক্ষুব্ধ মানুষ বিদ্যুৎ অফিস ও উপকেন্দ্রে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটাচ্ছেন। এই পরিস্থিতিতে দেশের ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি বিদ্যুৎ স্থাপনা ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের কাছে চিঠি দিয়েছে।

বিদ্যুৎ সরবরাহের চাহিদার তুলনায় ৪০ থেকে ৭০ শতাংশ কম বিদ্যুৎ পাওয়ার কারণে বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ নেই। কিছু স্থানে বিদ্যুৎকেন্দ্র ও অফিসে হামলার ঘটনা ঘটেছে এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অবরুদ্ধ করে রাখারও ঘটনা ঘটেছে। ঢাকার একটি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার জানান, পরিস্থিতির কারণে তারা নিরাপত্তা চেয়ে পুলিশের কাছে চিঠি দিয়েছেন।

পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স) এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন বলেন, চিঠি পাওয়ার পর শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। দেশের প্রায় ৮০ শতাংশ বিদ্যুৎ গ্রাহক পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মাধ্যমে বিদ্যুৎ পান, যার সংখ্যা প্রায় ৪ কোটি।

বর্তমানে ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সম্মিলিত বিদ্যুতের চাহিদা ৮ থেকে ৯ হাজার মেগাওয়াট, কিন্তু তারা পাচ্ছে ৫ থেকে ৬ হাজার মেগাওয়াট। ফলে কিছু এলাকায় ৮, ১০ বা ১২ ঘণ্টা লোডশেডিং হচ্ছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানান, গ্যাস সংকট বিদ্যুৎ ঘাটতির একটি প্রধান কারণ।

সরকার বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালনার সময় কমিয়ে দিয়েছে। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, শপিংমল, মার্কেট ও দোকানপাট সকাল ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। বিদ্যুৎ সংকটের মধ্যে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করা এখন বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd