• বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬, ১২:২৯ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
প্রধানমন্ত্রী তিন প্রতিবন্ধীকে চাকরি দিলেন রোহিঙ্গা ক্যাম্পে আরসা কমান্ডার জুবায়ের নিহত মাইক্রোপ্লাস্টিকের ঝুঁকি: খাবারের মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করছে ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য হরমুজ প্রণালি সংকটের প্রেক্ষাপটে কানাডার তেলের দিকে ঝুঁকছে এশিয়া ডা. মুরাদ হাসানকে হাজির করতে আদালতের বিজ্ঞাপন প্রকাশের আদেশ মিসরের বন্দরে মার্কিন ট্যাংকারে ড্রোন হামলা, ট্রাম্পের কঠোর হুঁশিয়ারি মুন্সীগঞ্জে এনসিপির বিক্ষোভে ছাত্রদলের পানি বিতরণ মার্কিন সেনাদের ভিডিও ইরানের হামলার লক্ষ্য নির্ধারণে সহায়ক: সেন্টকম প্রধান হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ ছাড়বে না ইরান: উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ঈসা (আ.) আগমনের পূর্বে ঘন ঘন ভূমিকম্প—ধর্মীয় গ্রন্থে মিলছে শেষ সময়ের পূর্বলক্ষণ

নাজাত ডেস্ক রিপোর্ট / ১২৩২ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর, ২০২৫

১০১৮

ঈসা (আ.) আগমনের পূর্বে ঘন ঘন ভূমিকম্প—ধর্মীয় গ্রন্থে মিলছে শেষ সময়ের পূর্বলক্ষণ

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিশ্বজুড়ে ভূমিকম্প ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের হার অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ভূ-বিজ্ঞানীরা যেখানে এটিকে প্রাকৃতিক পরিবর্তন বলে ব্যাখ্যা করছেন, সেখানে ধর্মীয় আলেম–গবেষকরা বিষয়টিকে শেষ যুগের পূর্বলক্ষণ হিসেবে দেখছেন। বিশেষ করে ইসলামী হাদীস ও খ্রিস্টধর্মের ইনজিল—উভয় গ্রন্থেই উল্লেখ আছে যে ঈসা (আ.) বা যিশু খ্রিস্টের আগমনের আগে পৃথিবীতে ঘন ঘন ভূমিকম্প হবে।

ইসলামের সহিহ হাদীসে এসেছে—শেষ সময়ে ভূমিকম্পের সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে এবং এটি হবে বড় ফিতনা–ফাসাদের অন্যতম পূর্বাভাস। নবী করীম (সা.) বলেছেন, “কিয়ামতের নিকটে ভূমিকম্প ঘন ঘন ঘটবে”—যা দাজ্জালের আবির্ভাব ও পরবর্তী ঘটনাবলীর সঙ্গে সম্পর্কিত বলে ব্যাখ্যা করেন আলেমরা।

অন্যদিকে খ্রিস্টধর্মের নিউ টেস্টামেন্টে, বিশেষ করে ম্যাথিউ ২৪:৭, মার্ক ১৩ এবং লূক ২১–এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে—যিশুর আগমনের পূর্বে “বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প, দুর্ভিক্ষ ও মহামারি” দেখা দেবে। ধর্মতত্ত্ববিদদের মতে, ইসলামী বর্ণনা ও ইনজিলের পূর্বাভাস এ বিষয়ে একটি অভিন্ন চিত্র তুলে ধরে।

বিশ্বব্যাপী সাম্প্রতিক বড় ভূমিকম্প—তুরস্ক, জাপান, নেপাল, চিলি, আফগানিস্তান ও মধ্যপ্রাচ্যে ধারাবাহিক কম্পনগুলো ধর্মীয় আলোচনায় নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই বলছেন, এই অস্বাভাবিকতা শেষ যুগের পূর্বঘটনা হতে পারে।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলেন—প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের বৃদ্ধিকে শুধুই ধর্মীয় বা কল্পনাভিত্তিক ব্যাখ্যায় দেখা উচিত নয়। বিজ্ঞান ও ধর্ম—দুটি দৃষ্টিকোণ থেকেই বিষয়টি বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন।

ধর্মীয় বিশ্লেষণে দেখা যায়—যুদ্ধ, দুর্ভিক্ষ, নৈতিক অবক্ষয়, এবং ঘন ঘন ভূমিকম্প—এসব ঘটনার পরই ঈসা (আ.)-এর আগমনের সময় ঘনিয়ে আসবে বলে বিশ্বাস করা হয়।

ছবি ও তথ্য সংগ্রহ করা


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd