• বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৪ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
বিএনপির রিজভী: শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দিয়ে ভারত বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটে ৭৮ শতাংশ নিট কারখানার উৎপাদন ব্যাহত, জামায়াতের প্রতিবাদ ঘোষণা স্মার্টফোনের দাম ২ থেকে ৩ হাজার টাকায় নামানোর উদ্যোগ কলেজে যাওয়ার কথা বলে নিখোঁজ কলেজছাত্রী, মুক্তিপণ দাবি ডিসেম্বর পর্যন্ত জ্বালানি তেলের সংকট হবে না: বিপিসি চেয়ারম্যান মক্কায় হামলার দাবি নাকচ করলো হুথি বিদ্রোহীরা রিয়াল মাদ্রিদ এলচেকে হারিয়ে জয়লাভ করল ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ড: তদন্ত কমিটি গঠন, মৃতের সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তি আসিফ নজরুলের বিশ্বকাপ না খেলার দায় স্বীকার ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন নিলেন রাষ্ট্রপতির ভাই মির্জা ফয়সাল আমিন

সৌদি আরবের তেল মজুত ফুরানোর শঙ্কা, বিশ্ব বাজারে প্রভাব ফেলতে পারে

Reporter Name / ৩ Time View
Update : সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
সৌদি আরবের তেল মজুত ফুরানোর শঙ্কা, বিশ্ব বাজারে প্রভাব ফেলতে পারে

ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের হামলার কারণে সৌদি আরবের একটি প্রধান তেল পাইপলাইন আগামী কয়েক দিনের মধ্যে পুনরায় চালু না হলে দেশটির রপ্তানিযোগ্য তেলের মজুত সম্পূর্ণ ফুরিয়ে যেতে পারে। এতে বিশ্ব বাজারে দৈনিক তেল সরবরাহের প্রায় ৪ শতাংশ ঘাটতি দেখা দেওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক তেল ক্রেতা ও ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে সতর্কতা প্রকাশ করা হয়েছে।

সৌদি আরব থেকে জ্বালানি সরবরাহ কমে গেলে তা বিশ্বব্যাপী চলমান জ্বালানিসংকটকে আরো ঘনীভূত করবে। বর্তমানে বিশ্বজুড়ে জ্বালানির দাম রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে এবং মূল্যস্ফীতি বাড়িয়ে দিয়েছে। মার্কিন বন্ডের সুদের হার ২০০৮ সালের বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

শুক্রবার ড্রোন হামলার পর সৌদি আরব তাদের পূর্ব-পশ্চিমের তেল পাইপলাইনের কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়। তবে হামলায় ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এবং পাইপলাইনটি কতদিন বন্ধ থাকবে, সে বিষয়ে রিয়াদ থেকে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। কিছু সূত্র জানিয়েছে, মেরামত করতে পাঁচ থেকে ছয় সপ্তাহ সময় লাগতে পারে, অন্যদিকে কিছু সূত্র বলছে, মেরামত কাজ দ্রুত শেষ হতে পারে।

এই পাইপলাইন গত ছয় মাস ধরে সৌদি আরবের তেল রপ্তানিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছিল। হরমুজ প্রণালির যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে প্রতিবেশীদের রপ্তানি স্থবির হয়ে পড়লেও সৌদি আরব এই বিকল্প পথ ব্যবহার করে রপ্তানি অব্যাহত রাখতে সক্ষম হয়েছিল।

বর্তমানে, পাইপলাইন বন্ধ থাকায় ইয়ানবু বন্দরে মজুত তেল দিয়ে মাত্র পাঁচ থেকে সাত দিনের রপ্তানি চালানো সম্ভব। সৌদি আরবের অন্যান্য বন্দরের মাধ্যমে সীমিত পরিমাণ তেল সরবরাহের সুযোগ থাকলেও, পাইপলাইনটি পুনরায় চালু না হলে মজুতও শেষ হয়ে যাবে।

ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সি (আইইএ) জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি ও লোহিত সাগর দিয়ে তেল পরিবহন কমে যাওয়ায় গত আগস্টে সৌদি আরবের তেল সরবরাহ বিগত তিন দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। চলতি বছর বিশ্বব্যাপী তেল সরবরাহ দিনে ৫৭ লাখ ব্যারেল বা প্রায় ৬ শতাংশ হ্রাস পাবে বলেও সতর্ক করেছে সংস্থাটি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd