• শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩৭ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
সাভার উপজেলা নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে চান তমিজ উদ্দিন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে বাসে সিট দখল ও র‍্যাগিং নিষিদ্ধ রিমার্কের মডার্ন ট্রেডে সাফল্য ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ডাকসুর এক বছরের কার্যবিবরণী প্রকাশ, ছারপোকা দমনে খরচ ৩২ লাখ টাকা যশোর বড় বাজারে ভারতীয় ইলিশে অভিযান আড়তকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা যশোরে এজলাস থেকে মামলার নথি চুরির অভিযোগে শিক্ষানবিশ আইনজীবী আটক পাকিস্তানের শহরাঞ্চলে সন্ত্রাসীদের আশ্রয়, জাতিসংঘে ভারতের দাবি বেনাপোলে শিশুসহ ১৮ বাংলাদেশিকে হস্তান্তর বিএনপি কর্মী জাহিদ হোসেন রাব্বীর মৃত্যুতে ১২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা, তদন্তে পিবিআই ফ্যামিলি কার্ডের কথা বলে টাকা নেওয়ার ঘটনায় এনসিপি নেত্রীকে সাময়িক অব্যাহতি

কলেজে যাওয়ার কথা বলে নিখোঁজ কলেজছাত্রী, মুক্তিপণ দাবি

Reporter Name / ২১ Time View
Update : বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
কলেজে যাওয়ার কথা বলে নিখোঁজ কলেজছাত্রী, মুক্তিপণ দাবি

২৩

চট্টগ্রাম নগরের দক্ষিণ হালিশহর এলাকা থেকে কলেজে যাওয়ার কথা বলে বের হওয়ার পর মিথিলা নামের এক কলেজছাত্রী নিখোঁজ হয়েছেন। নিখোঁজের পর তার পরিবারের কাছে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) তুলে নেওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছে তার পরিবার।

নিখোঁজ মিথিলা চট্টগ্রামের বেপজা পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থী। তিনি পরিবারের সাথে নগরের দক্ষিণ হালিশহর এলাকায় বসবাস করেন। পরিবার সূত্রে জানা যায়, কলেজের ইউনিফর্ম পরে বাসা থেকে বের হন মিথিলা। এরপর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও তিনি আর বাসায় ফেরেননি। পরে পরিবারের কাছে ফোন ও অনলাইনের মাধ্যমে মুক্তিপণ দাবি করা হয়।

ভুক্তভোগীর ভাই হৃদয় জানান, মিথিলা নিখোঁজ হওয়ার পর তারা বন্দর থানায় একটি জিডি করেন। জিডি করার পর তার মোবাইল ফোনে ব্রিলিয়ান্ট অ্যাপস নামে একটি ভিওআইপি নম্বর থেকে কল আসে, যেখানে ৫ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। একইসাথে জিডি তুলে নেওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে হুমকি দেওয়া হয়।

মিথিলার বাবা মো. নাসির উদ্দীন বলেন, ‘অনলাইনের মাধ্যমে মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছে। পাঁচ লাখ টাকার মধ্যে এক লাখ টাকা দিতে রাজি হলেও তারা কোথায় নিয়ে গিয়ে এসব টাকা দিতে হবে, সেটি জানায়নি।’

নিখোঁজের ঘটনায় করা জিডির তদন্ত কর্মকর্তা খায়রুল বাশার সাজিদ জানান, ‘সম্ভাব্য সব ক্লু পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই-বাছাই করে ভুক্তভোগীকে খুঁজে বের করার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। একই সঙ্গে তার পরিবারের কাছে অপহরণকারীদের পক্ষ থেকে করা কলটির ফরেনসিক বিশ্লেষণ এবং এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।’

বন্দর থানার ওসি মো. আব্দুর রহিম বলেন, শিক্ষার্থী নিখোঁজের জিডি হওয়ার পরপরই পুলিশ কাজ শুরু করেছে। মুক্তিপণ দাবির বিষয়টিও যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। সব বিষয় এখনো তদন্তাধীন রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd