• বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০৭ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটে ৭৮ শতাংশ নিট কারখানার উৎপাদন ব্যাহত, জামায়াতের প্রতিবাদ ঘোষণা স্মার্টফোনের দাম ২ থেকে ৩ হাজার টাকায় নামানোর উদ্যোগ কলেজে যাওয়ার কথা বলে নিখোঁজ কলেজছাত্রী, মুক্তিপণ দাবি ডিসেম্বর পর্যন্ত জ্বালানি তেলের সংকট হবে না: বিপিসি চেয়ারম্যান মক্কায় হামলার দাবি নাকচ করলো হুথি বিদ্রোহীরা রিয়াল মাদ্রিদ এলচেকে হারিয়ে জয়লাভ করল ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ড: তদন্ত কমিটি গঠন, মৃতের সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তি আসিফ নজরুলের বিশ্বকাপ না খেলার দায় স্বীকার ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন নিলেন রাষ্ট্রপতির ভাই মির্জা ফয়সাল আমিন রাজশাহীতে সারের সংকট, মাছের পুকুরে যাচ্ছে কৃষকের সার

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ছাত্রদল নেতার মোটরসাইকেল আটক, পুলিশ সুপারের কার্যালয় ঘেরাও

Reporter Name / ১ Time View
Update : সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ছাত্রদল নেতার মোটরসাইকেল আটক, পুলিশ সুপারের কার্যালয় ঘেরাও

চাঁপাইনবাবগঞ্জে জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক আক্তারুজ্জামান আক্তারের মোটরসাইকেল আটক হওয়া নিয়ে পুলিশ সুপারের কার্যালয় ঘেরাও করেছেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাতে তারা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নিয়ে প্রায় এক ঘণ্টা পুলিশ সদস্যদের অবরুদ্ধ করে রাখেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বিকেলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের নিউ মার্কেট এলাকায় একটি চেকপোস্টে আক্তারুজ্জামানের মোটরসাইকেল থামিয়ে কাগজপত্র যাচাই করা হয়। এ সময় মোটরসাইকেলটির নিবন্ধন না থাকায় সেটি আটক করা হয়। এরপর পুলিশের সঙ্গে আক্তারের বাগবিতণ্ডা হয়।

এ ঘটনার পর ছাত্রদলের অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের সামনে গিয়ে অবস্থান নেন এবং বিভিন্ন স্লোগান দেন। এ সময় পুলিশ সদস্যরা কিছু সময়ের জন্য অবরুদ্ধ হয়ে পড়েন। গণমাধ্যমকর্মীরা ঘটনাস্থলে ছবি ও ভিডিও ধারণ করতে গেলে ছাত্রদলের কয়েকজন নেতাকর্মী তাদের কাজে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এএনএম ওয়াসিম ফিরোজ ঘটনাস্থলে গিয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করেন। তিনি জানান, আক্তারুজ্জামানের মোটরসাইকেলটির কাগজপত্র ছিল না এবং নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে এটি আটক করা হয়।

জেলা ছাত্রদলের সভাপতি মীম ফজলে আজিম জানান, মোটরসাইকেল আটক নিয়ে পুলিশের সঙ্গে কিছুটা ভুল বোঝাবুঝি হয়েছিল, যা পরে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা হয়েছে। গণমাধ্যমকর্মীদের কাজে বাধা দেওয়ার ঘটনা ভুল ছিল বলে তিনি স্বীকার করেন।

এ বিষয়ে আক্তারুজ্জামানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd