বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইকোনমিক ডিপ্লোম্যাসির মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থ ও বৈদেশিক বাণিজ্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করছেন। বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং আন্তর্জাতিক উন্নয়নে শরিকানা নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে। প্রধানমন্ত্রী ২০৩৪ সালের মধ্যে দেশের অর্থনীতিকে ১ ট্রিলিয়ন ডলারে রূপান্তরের ঘোষণা দিয়েছেন।
এদিকে, ইতালি সহ কয়েকটি দেশ বাংলাদেশকে অর্থনীতি ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নে সহযোগিতা করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। বাংলাদেশে প্রশিক্ষক তৈরির পাশাপাশি ইতালিতে কর্মসংস্থানে আগ্রহী দক্ষ কর্মীদের ভাষাগত প্রশিক্ষণের সুযোগ তৈরির বিষয়টি আলোচনা হয়েছে। দক্ষ জনশক্তি রপ্তানি বাড়াতে তৃতীয় ভাষা শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
জাতিসংঘ বাণিজ্য ও উন্নয়ন সংস্থা-আংকটাড জানিয়েছে, বৈশ্বিক বিনিয়োগে অনিশ্চয়তা ও প্রতিযোগিতা বাড়ার মধ্যে বাংলাদেশের সংস্কার উদ্যোগ অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের জন্য অনুসরণযোগ্য। সংস্থাটির ১৬তম অধিবেশনে বাংলাদেশের বিনিয়োগ কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বিশ্বে প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ ৬ শতাংশ বেড়ে ১.৬২ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছাবে। বাংলাদেশে বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য বিভিন্ন সংস্কারের অগ্রগতি তুলে ধরা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে আশাবাদী, যা ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পৌঁছাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। আগামী সেপ্টেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী নিউ ইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে অংশগ্রহণ করবেন।