গত শনিবার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তিন মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধন করেছেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে কৌশলগত পরিবর্তনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়েছে।
২০২৩ সালে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা তিন লক্ষাধিক ছাড়িয়েছে এবং প্রাণ হারিয়েছেন ১ হাজার ৭০০-এর বেশি মানুষ। চলতি বছর ইতিমধ্যে ৫০ হাজারের বেশি রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন এবং ১৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা করছেন, সেপ্টেম্বরের শেষভাগ থেকে অক্টোবরের মধ্যে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে।
বাংলাদেশে ডেঙ্গুর সংক্রমণ একটি বার্ষিক স্বাস্থ্য সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কীটতত্ত্ববিদদের মতে, এডিস মশার প্রজননকাল এখন প্রায় সারা বছরই বিরাজমান। ঢাকা বিভাগে সংক্রমণ সর্বোচ্চ হলেও বরিশাল ও চট্টগ্রামেও পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। দেশের ৬৪ জেলায় ডেঙ্গু শনাক্ত হয়েছে, এমনকি গ্রামাঞ্চলেও এডিস মশার বিস্তার ঘটছে।
প্রধানমন্ত্রীর উদ্যোগের পাশাপাশি, ডেঙ্গু প্রতিরোধে স্থানীয় সরকারের প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি। এডিস ও কিউলেক্স মশার জন্য পৃথক নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি অনুসরণ করা প্রয়োজন। সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার মাধ্যমে জনগণকে সচেতন করতে হবে এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখতে উৎসাহিত করতে হবে।
ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও টেকসই পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।