বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) কারিগরি মূল্যায়ন কমিটি নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের প্রতি ইউনিট ৬ টাকা ৪৮ পয়সা দামের সুপারিশ করেছে। তবে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব) পক্ষ থেকে এটি অযৌক্তিক দাবি করা হয়েছে।
দেশের বিদ্যুৎ খাত বর্তমানে তীব্র জ্বালানি সংকটের মুখোমুখি। বিদ্যুৎ উৎপাদনের বড় অংশ আমদানিনির্ভর জ্বালানি ও কয়লার ওপর নির্ভরশীল হওয়ায় বিশ্ববাজারে দাম বাড়লে লোডশেডিংয়ের সমস্যা দেখা দিচ্ছে। ফলে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।
বর্তমানে নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতের হার মোট সক্ষমতার মাত্র ৪ থেকে ৫ শতাংশ। ২০৪১ সালের মধ্যে ৪৪ শতাংশ পরিবেশবান্ধব বিদ্যুৎ নিশ্চিতের লক্ষ্যে বিইআরসি ২০২৫ সালের মার্চেন্ট পাওয়ার পলিসি বাস্তবায়ন করছে।
গতকাল রোববার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে গণশুনানির আয়োজন করে বিইআরসি। সেখানে কারিগরি মূল্যায়ন কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী, মার্চেন্ট পাওয়ার প্ল্যান্ট থেকে প্রতি কিলোওয়াট নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ ৬ টাকা ৪৮ পয়সায় কিনতে পারবে পিডিবি।
শুনানিতে খাত সংশ্লিষ্টরা দামের পক্ষে নানা যুক্তি তুলে ধরেন। তবে জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. সামসুল আলম বাড়তি দাম নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং সঠিক উত্তর না পাওয়ার কথা জানান।