• সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬, ০৯:৩৫ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
খুলনায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে মশক নিধন কার্যক্রম শুরু কলকাতার চলচ্চিত্র উৎসবে সেরা স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘সম্পর্ক’ যশোরে শার্শায় কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনায় এমপি আজীজুর রহমান,  বেনাপোলে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা সেবা নিলেন প্রায় ১৫০০ রোগী, দেওয়া হলো খাবার রাজশাহীর পদ্মা চরে বাল্যবিয়ের শিকার ৯৫ শতাংশ শিশু, শিক্ষা নেই নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের প্রতি ইউনিট ৬ টাকা ৪৮ পয়সা প্রস্তাব, ক্যাবের দাবি অযৌক্তিক ইরানি রিয়ালের রেকর্ড দরপতন, ডলারের দাম ছাড়াল ২০ লাখ রংপুরে চার খুন: দুই আসামির স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রথমবার এসিসির সভায় তামিমের বড় দায়িত্ব মোদি সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি সিজেপির

রাজশাহীর পদ্মা চরে বাল্যবিয়ের শিকার ৯৫ শতাংশ শিশু, শিক্ষা নেই

Reporter Name / ১৬ Time View
Update : রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬
রাজশাহীর পদ্মা চরে বাল্যবিয়ের শিকার ৯৫ শতাংশ শিশু, শিক্ষা নেই

১৯

রাজশাহীর চর মাঝারদিয়ায় উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলের অভাবের কারণে ৯৫ শতাংশ শিশু বাল্যবিয়ের শিকার হচ্ছে। স্থানীয় অভিভাবকরা প্রাথমিক শিক্ষার পর মেয়েদের বিয়ে দেওয়া ‘নিরাপদ’ মনে করছেন। পদ্মার চরে বাল্যবিয়ে প্রতিরোধে সরকারি কার্যক্রম তেমন চোখে পড়ে না।

ইউনিসেফ ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর জরিপ অনুযায়ী, ২০২৬ সালে রাজশাহীতে বাল্যবিয়ে প্রায় ৮ শতাংশ বেড়েছে। চরাঞ্চলে এই হার আরও বেশি। সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য কাজ করলেও কার্যক্রমের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।

চর নবীনগর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিক্ষার্থী কন্যাশিশু। উচ্চ শিক্ষার প্রতি তাদের আগ্রহ থাকলেও প্রাথমিকের গণ্ডি পেরুলেই তারা বাল্যবিয়ের কবলে পড়ছে। বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. এমদাদুল হক জানান, উচ্চশিক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় স্কুলের অভাবে অভিভাবকেরা দ্রুত বিয়ের সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন।

বাল্যবিয়ের শিকার অনেক কিশোরী জানান, পড়াশোনা ও থাকার সুযোগ না থাকায় অল্প বয়সেই তাদের বিয়ে হয়ে যাচ্ছে। সরকার কলেজ পর্যন্ত মেয়েদের বিনামূল্যে পড়ার সুযোগ রেখেছে, তবে গ্রামাঞ্চলে এই সুবিধা কতটা কার্যকর তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

এছাড়া ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোগে ৮২টি বাল্যবিয়ে নিরোধ কমিটি ও ৭২টি কিশোর-কিশোরী ক্লাব থাকলেও তাদের কার্যক্রম চরাঞ্চলে তেমন কার্যকর নয়। রাজশাহী মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ইসরাত জাহান জানান, অভিভাবকদের সচেতন করতে উঠান বৈঠক করা হচ্ছে, তবে এর ফলাফল সন্তোষজনক নয়।

উন্নয়ন কর্মীরা বলছেন, সরকারি দপ্তরগুলোর উদাসিনতার কারণে প্রান্তিক জনগোষ্ঠী সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচী থেকে বঞ্চিত হচ্ছে, ফলে রাজশাহীতে বাল্যবিয়ের প্রবণতা বাড়ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd