• সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ০৬:২৬ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]

ঋণখেলাপির পাচার করা সম্পদ উদ্ধারে নতুন উদ্যোগ

Reporter Name / ০ Time View
Update : রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬
ঋণখেলাপির পাচার করা সম্পদ উদ্ধারে নতুন উদ্যোগ

বাংলাদেশের ব্যাংকগুলো ৪২টি ঋণখেলাপির পাচার করা সম্পদ উদ্ধারের তৎপরতা শুরু করেছে। অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত ১১ প্রতিষ্ঠানের পর এবার এসব প্রতিষ্ঠান চিহ্নিত করে তাদের গোপন সম্পদ উদ্ধারের চেষ্টা করা হবে। এই কার্যক্রমের জন্য ৮টি আন্তর্জাতিক আইনি ও পেশাদার পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন করেছে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক।

রোববার (৯ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বিভিন্ন ব্যাংকের এমডিরা উপস্থিত ছিলেন। পাচারের অর্থ উদ্ধারের জন্য যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কানাডা, সিংগাপুর ও মালয়েশিয়াসহ ১২টি দেশকে প্রধান লক্ষ্য হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। 'নো উইন, নো পে' নীতিতে সম্পদ পুনরুদ্ধারের এই কার্যক্রমে কোনো ব্যাংককে অগ্রিম অর্থ দিতে হবে না।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ২০০ কোটি টাকার বেশি খেলাপি ঋণ রয়েছে এমন ৪২টি প্রতিষ্ঠান চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানের বিদেশে পাচার করা সম্পদ খুঁজে বের করতে ৮টি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠানগুলো হলো গ্র্যান্ট থর্নটন, আরআই কনসোর্টিয়াম, বেকার ম্যাকেঞ্জি অ্যান্ড পিডব্লিউসি, ডিএলএ পাইপার অ্যান্ড ক্রোল, ইওয়াই অ্যান্ড ডেন্টনস, রহমান রাভেলি অ্যান্ড ইন্টারপাথ, বিসিজি অ্যান্ড এইচএইচআর এবং অ্যানিমাস অ্যাসোসিয়েটস।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান সাংবাদিকদের জানান, আন্তর্জাতিক তদন্তকারী প্রতিষ্ঠানগুলো বিদেশে থাকা সম্পদের অবস্থান, ধরন এবং আর্থিক পরিমাণ শনাক্তের কাজ করছে। সম্পদ চিহ্নিত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট দেশের আইন অনুযায়ী আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তা জব্দ করা হবে।

তিনি আরও বলেন, ঋণখেলাপি প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণের অর্থ কীভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, তা পর্যালোচনা করা হচ্ছে। বিশেষ করে যেসব ঋণের ক্ষেত্রে ব্যবসায়িক কার্যক্রমের অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে, সেগুলোকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd