নাহিদ সুলতানা যুথি, যিনি সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী, যুবলীগের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি যুবলীগের কমিটিতে কোটি কোটি টাকার পদবাণিজ্য, কমিটি ঝুলিয়ে রাখা এবং জবর-দখলের অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন। মাত্র পাঁচ বছরের মধ্যে যুবলীগের ক্ষমতার অপব্যবহার করে তিনি বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করেছেন।
যুবলীগের নেতাকর্মীরা জানান, যুথি যুবলীগের শাসক হয়ে উঠেছিলেন এবং তার রাজত্বে নেতাকর্মীরা তাকে 'করদ প্রজা' হিসেবে দেখতেন। অভিযোগ রয়েছে, তাকে টাকার জোগান না দিলে কাউকে নিস্তার দিতেন না। যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশও তার স্ত্রীর কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কথা বলতে ভয় পেতেন।
যুথির বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তিনি যুবলীগের অফিসে একটি আলাদা ফ্লোর দখল করে রেখেছিলেন এবং যুবলীগের বৈঠকের জন্য আনা নাস্তার ভাগও দাবি করতেন। যুবলীগের নেতাদের অভিযোগ, যুথি বিনা পয়সায় নমিনেশন ফরম দিতেন না এবং কমিটি গঠনে বাধা সৃষ্টি করতেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক যুবলীগের নেতারা জানান, যুথির কারণে সংগঠনটির কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। নতুন কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া চললেই তিনি নানাভাবে তা আটকে দিতেন। যুবলীগের সপ্তম কংগ্রেসের পরে ঢাকা মহানগরের কমিটি গঠনে বাধা সৃষ্টি করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
বর্তমানে নাহিদ সুলতানা যুথি তার স্বামী শেখ ফজলে শামস পরশের সঙ্গে কানাডায় অবস্থান করছেন। তার কর্মকাণ্ড বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে গভীর দাগ ফেলেছে বলে মন্তব্য করেছেন যুবলীগের ভুক্তভোগী নেতারা।