• রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০৭:৩০ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেবে জামায়াত, রোববার চূড়ান্ত হবে প্রার্থী প্রেমিকের বাড়িতে অনশনে স্ত্রী, স্বামী দুধ দিয়ে গোসল করে সম্পর্ক শেষের ঘোষণা দিলেন সিলেটে ৮ মাসের শিশুর মৃত্যুর ঘটনায় আইসিইউ না পাওয়ার অভিযোগ জামায়াত আমিরের বক্তব্য: দুর্নীতি বন্ধ করতে মানসিকতার পরিবর্তন জরুরি ট্রলারসহ ৩ বাংলাদেশি জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি ভোলায় ১২ লাখ টাকা মূল্যের গাঁজাসহ মাদক কারবারি আটক জুলাই গণঅভ্যুত্থান কারো একক সম্পত্তি নয়: ইশরাক হোসেন ফুটবলের ইতিহাসে মেসির বাবার অবদান পরিচ্ছন্ন ও সবুজ নগর গড়তে নাগরিক সহযোগিতা প্রয়োজন: ডিএনসিসি প্রশাসক রেললাইনে বসবাসরত রেহানা খাতুনের মাথার চুল বিক্রি করে ঘর ভাড়া পরিশোধের ঘটনা

মৃত শিক্ষকের বেতন তোলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জামায়াত নেতা মহিউদ্দিন

Reporter Name / ১৮ Time View
Update : রবিবার, ২ আগস্ট, ২০২৬
মৃত শিক্ষকের বেতন তোলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জামায়াত নেতা মহিউদ্দিন

৩০

ভোলার তজুমদ্দিন উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মো. মহিউদ্দিন মৃত শিক্ষকের ব্যাংক হিসাব ও ইনডেক্স নম্বর জালিয়াতি করে ২০ বছর ধরে সরকারি বেতন-ভাতা তোলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

রোববার (২ আগস্ট) রাতে তজুমদ্দিন উপজেলা শহরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে উল্লেখ করা হয়েছে যে, তিনি মৃত শিক্ষক মো. মহিউদ্দিনের একাউন্ট থেকে অবৈধভাবে বেতন ভাতা তুলছেন। তবে তিনি দাবি করেন, তার মূল একাউন্ট নাম্বার ৮০৫, যা থেকে তিনি বিগত ১৭ বছর ধরে নিয়মমাফিক বেতন ভাতা উত্তোলন করে আসছেন।

মহিউদ্দিন জানান, তার নামের সঙ্গে মৃত শিক্ষকের নামের মিল থাকার কারণে একটি প্রশাসনিক জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। তিনি বলেন, কিছু মহল তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে এবং এসব অসত্য তথ্য ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্য রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিল করা।

এদিকে, জেলা জামায়াতে ইসলামীও মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছে। তারা অভিযোগ করেছে যে, মাদ্রাসার সুপার মো. নুরুজ্জামান ব্যক্তিগত দ্বন্ধের কারণে এ ধরনের প্রোপাগান্ডা চালাচ্ছেন।

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে সম্প্রতি সুপার নুরুজ্জামান লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন, যেখানে তিনি উল্লেখ করেছেন যে, ১৯৯৪ সালে মো. মহিউদ্দিন নামে একজন জুনিয়র শিক্ষক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন এবং ২০০৬ সালে জামায়াত নেতা মহিউদ্দিন সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পান।

ভোলার পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছার জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে পুলিশের একটি বিশেষ টিম তদন্ত করছে এবং ইতোমধ্যে অনিয়মের কিছু প্রমাণ পাওয়া গেছে। তদন্ত শেষে পুরো বিষয়টি পরিষ্কার হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd