• বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০৩:৩৬ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
মধ্যরাতে এক ঘরে ঢুকে যশোরে দুই নারীকে ধর্ষণ, যুবক আটক সংবাদপত্রের কালো দিবস উপলক্ষে সাংবাদিক ইউনিয়ন দিনাজপুরের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সংবাদপত্রের কালো দিবস উপলক্ষে সাংবাদিক ইউনিয়ন দিনাজপুরের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত যশোরে ১০ হাজার ইয়াবাসহ দুইজন গ্রেপ্তার, প্রাইভেট কার জব্দ বাংলাদেশে যত উন্নয়ন সব কিছুই করেছেন শহীদ জিয়া -ডা. জাহিদ হোসেন যশোর জেনারেল হাসপাতালে আসা রোগী টার্গেট ৫০০ মিটারে ২২বেসরকারি হসপিটাল-ক্লিনিক আশ্বাসে কাটলো অচলাবস্থা: বেনাপোল বন্দরে শ্রমিকদের কর্মবিরতি স্থগিত    শার্শায় প্রবাসীর স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, ৩ জন আটক নরসিংদীতে ক্লু-লেস হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন, ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেপ্তার ২ নরসিংদীতে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে কলেজছাত্রের মৃত্যু

ইসলামী ব্যাংকের সিআরআর ঘাটতি, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে ১০ হাজার কোটি টাকার তারল্য সহায়তা চাওয়া

নাজাত ডেস্ক / ৬২ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬

৮৩

ইসলামী ব্যাংকের সিআরআর ঘাটতি, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে ১০ হাজার কোটি টাকার তারল্য সহায়তা চাওয়া

নাজাত ডেস্ক রিপোর্ট।

দেশের অন্যতম বৃহৎ বেসরকারি ব্যাংক Islami Bank Bangladesh PLC নগদ সংরক্ষণ অনুপাত (সিআরআর) বজায় রাখতে ব্যর্থ হওয়ায় Bangladesh Bank-এর কাছে ১০ হাজার কোটি টাকার তারল্য সহায়তা চেয়েছে। ব্যাংকটির চলতি হিসাবে জমাকৃত অর্থ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যাওয়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

 

ব্যাংকের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে গ্রাহকদের বড় অঙ্কের আমানত উত্তোলনের ফলে তারল্য সংকট তৈরি হয়েছে। এর ফলে বাংলাদেশ ব্যাংকে সংরক্ষিত নগদ অর্থের নির্ধারিত সীমা বা সিআরআর বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছে না। তবে তিনি দাবি করেন, ব্যাংকের প্রিন্সিপাল অ্যাকাউন্ট এখনও ইতিবাচক অবস্থানে রয়েছে।

 

ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকে ইসলামী ব্যাংকের প্রিন্সিপাল অ্যাকাউন্টে আগে প্রায় ৭ হাজার ১৫ কোটি টাকা জমা থাকলেও বর্তমানে তা কমে প্রায় ২ হাজার ৬০০ কোটি টাকায় নেমে এসেছে। সিআরআর ঘাটতি পূরণ এবং তারল্য পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে ১০ হাজার কোটি টাকার সহায়তা চাওয়া হয়েছে।

 

সংশ্লিষ্টদের মতে, সম্প্রতি ব্যাংকের চেয়ারম্যান পরিবর্তনকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট অনিশ্চয়তা ও বিতর্কের কারণে আমানতকারীদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এরই মধ্যে প্রায় ৪ হাজার কোটি টাকার আমানত উত্তোলনের তথ্য পাওয়া গেছে।

 

উল্লেখ্য, পূর্বে S Alam Group-এর নামে-বেনামে বিপুল ঋণ বিতরণের অভিযোগে ইসলামী ব্যাংক তারল্য সংকটে পড়েছিল। তখনও ব্যাংকটি সিআরআর ঘাটতিতে পড়ে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকের চলতি হিসাবে প্রয়োজনীয় অর্থ সংরক্ষণে ব্যর্থ হয়। পরে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও সাম্প্রতিক ঘটনাবলির কারণে নতুন করে চাপের মুখে পড়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

 

বিশ্লেষকদের মতে, চলমান অস্থিরতা দ্রুত নিরসন করা না গেলে আমানতকারীদের আস্থাহীনতা আরও বাড়তে পারে, যা ইসলামী ব্যাংকের তারল্য পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd