• সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০৮:০৪ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
নরসিংদীতে ক্লু-লেস হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন, ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেপ্তার ২ নরসিংদীতে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে কলেজছাত্রের মৃত্যু সুনামগঞ্জের নবাগত জেলা প্রশাসকের সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করেছেন বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্ট জেলা শাখার নেতৃবৃন্দরা। যশোরের শার্শায় জনবান্ধব বাজেট পেশ করায় শুভেচ্ছা মিছিল দিনাজপুরে প্রয়াত মন্ত্রী খুরশীদ জাহান হক এর ২০ তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত ফতুল্লায় পরিত্যক্ত অবস্থায় প্রাণঘাতী ‘পেন গান’ ও খালি কার্তুজ উদ্ধার বিয়ের প্রলোভনে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ অভিযোগে যুবক আটক ইউরিয়া সার মিশিয়ে খাদ্য প্রস্তুত, নরসিংদীতে বেকারি মালিককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা” সুনামগঞ্জের হরিনগরে বাড়ির ছাঁদ থেকে গাঁজার গাছসহ ১ জন আটক। বাংলাদেশে যত উন্নয়ন সব কিছুই করেছেন শহীদ জিয়া -ডা. জাহিদ হোসেন

নরসিংদীতে ক্লু-লেস হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন, ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেপ্তার ২

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৬৬ Time View
Update : সোমবার, ১৫ জুন, ২০২৬

৭৬

নরসিংদীতে ক্লু-লেস হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন, ঘটনার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেপ্তার ২

নিজস্ব প্রতিবেদক | নরসিংদী

নরসিংদী সদর মডেল থানার একটি চাঞ্চল্যকর ও ক্লু-লেস হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে জেলা পুলিশ। ঘটনার পরপরই অভিযান চালিয়ে হত্যাকাণ্ডে জড়িত দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত সারোয়ার হোসেন (২২) নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলার চন্দগাতী গ্রামের হাজী রহমানের ছেলে। তিনি নরসিংদী সদর উপজেলার টাওয়াদী এলাকায় নুরু মিয়ার বাড়িতে ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করতেন এবং পেশায় বিভাটেক (মিশুক) চালক ছিলেন।

গত ১৩ জুন ২০২৬ তারিখ দুপুর আনুমানিক ২টা ৫০ মিনিটে সারোয়ার হোসেন প্রতিদিনের মতো টাওয়াদী এলাকার জুয়েল মিয়ার গ্যারেজ থেকে তার মিশুক নিয়ে বের হন। এরপর তিনি আর বাড়িতে ফিরে আসেননি। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি।

পরবর্তীতে ১৫ জুন রাত আনুমানিক ১২টা ৩০ মিনিটে নরসিংদী সদর মডেল থানার নজরপুর ইউনিয়নের চম্পকনগর এলাকায় মেঘনা নদীর শাখা নদীর বেড়িবাঁধের দক্ষিণ পাশে একটি ঝোপের ভেতর থেকে সারোয়ারের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, দুর্বৃত্তরা তার গলায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে।

এ ঘটনায় নিহতের বাবা হাজী রহমান বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে নরসিংদী মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলা নং-২৭, তারিখ ১৫ জুন ২০২৬; ধারা ৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোডে মামলা রুজু করা হয়।

মামলা দায়েরের পর পুলিশ সুপার মো. আবদুল্লাহ্-আল-ফারুকের নির্দেশনায় নরসিংদী মডেল থানার একটি বিশেষ দল তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের সহায়তায় তদন্ত শুরু করে। তদন্তের এক পর্যায়ে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করে পুলিশ এবং ঘটনায় জড়িত দুই আসামিকে নরসিংদী মডেল থানা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের পেছনের উদ্দেশ্য এবং ঘটনার বিস্তারিত তথ্য জানতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd