• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৩ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
গুলশান-২ থেকে ১,০০১ বোতল বিদেশি মদ ও বিয়ারসহ একজন গ্রেপ্তার তারাগঞ্জে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চালের মান নিয়ে অসন্তোষ, তদন্তের আশ্বাস খাদ্য বিভাগের সুনামগঞ্জের হালুয়ারঘাট এলাকায় সাংবাদিকতার পরিচয়ে হাসান আলীর বিরুদ্ধে চাদাঁবাজির অভিযোগে এলাকাবাসির মানববন্ধন দিনাজপুরের বিরামপুরে দিনব্যাপী জব কেয়ার চাকুরী মেলা অনুষ্ঠিত।  সাতক্ষীরার কৃষ্ণনগরে চলাচলের পথ বন্ধের অভিযোগ, দুর্ভোগে পরিবার যশোরের বেনাপোল-খড়িডাঙ্গা পাকা সড়কে সৃষ্টি হয়েছে স্থায়ী জলাবদ্ধতা, দুর্ভোগে ১০ গ্রামের মানুষ রায়পুরায় চলন্ত বাসে পুলিশের অভিযান, ১৪০ রাউন্ড সিসার গুলিসহ নারী আটক নবীনগরে সাংবাদিকদের গাড়ি আটকে চাঁদা দাবির অভিযোগ যুবদল নেতার বিরুদ্ধে নরসিংদীতে অবৈধ গ্যাস সংযোগের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা ৩ লাখ ১৫ হাজার টাকা পঞ্চগড়ে সড়কের টোল আদায়ে অনিয়মের অভিযোগ, চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে রাজস্ব আত্মসাতের দাবি

১৯৩ কোটি টাকায় ৩ কোটি ৮৭ লাখ জন্মনিয়ন্ত্রণের বড়ি কিনবে সরকার

Reporter Name / ১০৬ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬
১৯৩ কোটি টাকায় ৩ কোটি ৮৭ লাখ জন্মনিয়ন্ত্রণের বড়ি কিনবে সরকার

২১০

জন্মনিয়ন্ত্রণের জন্য ১৯৩ কোটি ১৭ লাখ টাকা ব্যয়ে ৩ কোটি ৮৭ লাখ ৫০ হাজার চক্র খাওয়ার বড়ি কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এই প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়।

এই খাতে মোট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ১৯৩ কোটি ১৭ লাখ টাকা। এর মাধ্যমে ৩ কোটি ৮৭ লাখ ৫০ হাজার চক্র খাওয়ার বড়ি কেনা হবে, যেখানে প্রতি চক্রের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ৪৯ টাকা ৮৫ পয়সা। 'চক্র' বলতে একজন নারীর এক মাসের ব্যবহারের জন্য নির্ধারিত পূর্ণ এক প্যাকেট বোঝানো হয়েছে।

অভ্যন্তরীণ উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে দরপত্র আহ্বান করা হলে একমাত্র দরদাতা হিসেবে রেনাটা পিএলসিকে কাজ দেওয়ার সুপারিশ করা হয়। তারা ৩য় প্রজন্মের এই খাওয়ার বড়ি সরবরাহ করবে। স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবারকল্যাণ বিভাগের প্রস্তাবের ভিত্তিতে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর এই ক্রয় কার্যক্রম বাস্তবায়ন করবে।

‘সমাপ্ত ৪র্থ সেক্টর কর্মসূচির অত্যাবশ্যকীয় পরিবার পরিকল্পনা, মা, শিশু ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবার অসমাপ্ত কার্যাবলি বাস্তবায়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এই বড়িগুলো সংগ্রহ করা হচ্ছে। আগামী ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৭ সালের ৩০ জুন মেয়াদী এ প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম আরও গতিশীল করা হবে।

পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশের পরিবার পরিকল্পনা কর্মসূচিতে প্রায় ৩৯ শতাংশ সক্ষম দম্পতি জন্মনিয়ন্ত্রণের জন্য খাওয়ার বড়ির ওপর নির্ভরশীল। বর্তমানে মজুত থাকা বড়ি দিয়ে এক মাসের কম সময় চাহিদা মেটানো সম্ভব হওয়ায়, সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে জরুরি ভিত্তিতে এই নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd