• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৪৮ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
সাতক্ষীরার কৃষ্ণনগরে চলাচলের পথ বন্ধের অভিযোগ, দুর্ভোগে পরিবার যশোরের বেনাপোল-খড়িডাঙ্গা পাকা সড়কে সৃষ্টি হয়েছে স্থায়ী জলাবদ্ধতা, দুর্ভোগে ১০ গ্রামের মানুষ রায়পুরায় চলন্ত বাসে পুলিশের অভিযান, ১৪০ রাউন্ড সিসার গুলিসহ নারী আটক নবীনগরে সাংবাদিকদের গাড়ি আটকে চাঁদা দাবির অভিযোগ যুবদল নেতার বিরুদ্ধে নরসিংদীতে অবৈধ গ্যাস সংযোগের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা ৩ লাখ ১৫ হাজার টাকা পঞ্চগড়ে সড়কের টোল আদায়ে অনিয়মের অভিযোগ, চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে রাজস্ব আত্মসাতের দাবি ঘোড়াঘাটে ৩ মাদকসেবীর কারাদণ্ড ও জরিমানা মাদক সেবন রোধে নজরদারি বাড়ানো ও জনসচেতনতার দাবী অসহায় ও প্রতিবন্ধী শিশু সোহানার দায়িত্ব নিলেন নরসিংদীর জেলা প্রশাসক দিনাজপুরের দুই কৃতি সন্তানদের সম্বর্ধনা দিলো দিনাজপুর ফুটবল খেলোয়াড় কল্যাণ সমিতি বেনাপোল- যশোরে দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত ৩, আহত ২

জানুয়ারিতে ডিমের গড় বিক্রয়মূল্য ৭ টাকা ৯১ পয়সা, সেপ্টেম্বরে বেড়ে ১১ টাকা ৩০ পয়সা

Reporter Name / ৭২ Time View
Update : রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
জানুয়ারিতে ডিমের গড় বিক্রয়মূল্য ৭ টাকা ৯১ পয়সা, সেপ্টেম্বরে বেড়ে ১১ টাকা ৩০ পয়সা

১৮১

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির ডিমের বাজারে অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধির বিষয়ে সতর্কতা জারি করেছেন। তিনি বলেন, অতিরিক্ত মুনাফা ও কৃত্রিম সংকট তৈরি করে ভোক্তাদের ওপর চাপ ফেলা যাবে না। ব্যবসায়ীদের প্রতি তিনি আহ্বান জানান, উৎপাদক থেকে খুচরা বিক্রেতা পর্যন্ত সরবরাহ ব্যবস্থার প্রতিটি ধাপে যৌক্তিক মুনাফা নিশ্চিত করে ভোক্তাদের সহনীয় দামে ডিম দেওয়ার জন্য দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

আজ রোববার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ডিম ও পোলট্রি খাতের ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী উল্লেখ করেন, ডিম সাধারণ মানুষের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য। দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের ওপর সরাসরি চাপ পড়ে।

সভায় ব্যবসায়ীরা জানান, ভুট্টা, সয়াবিনসহ পোলট্রি খাদ্যের বিভিন্ন উপকরণের দাম বৃদ্ধির কারণে বর্তমানে প্রতি ডিমের উৎপাদন ব্যয় প্রায় ১১ টাকায় পৌঁছেছে। তাদের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারিতে উৎপাদক পর্যায়ে প্রতি ডিমের গড় বিক্রয়মূল্য ছিল ৭ টাকা ৯১ পয়সা, যা সেপ্টেম্বরে বেড়ে ১১ টাকা ৩০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।

ব্যবসায়ীরা দাম বৃদ্ধির কারণ হিসেবে বলেন, বছরের বড় একটি সময় উৎপাদন খরচের নিচে ডিম বিক্রি করতে হলেও দাম বাড়ার সময়টিই বেশি আলোচনায় আসে। তারা দাম নিয়ন্ত্রণের জন্য বিভিন্ন সুপারিশও করেন, যেমন অতিরিক্ত উৎপাদনের সময় ডিম সংরক্ষণের ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং পোলট্রি খাদ্য উপকরণের দাম নিয়ন্ত্রণ করা।

এছাড়া, তারা আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে ডিমের দাম কমে আসার সম্ভাবনা প্রকাশ করেন। মন্ত্রী বলেন, সরকার ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখতে চায় এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম সহনীয় রাখতে ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd