• শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫১ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
নরসিংদীতে বসতবাড়িতে হামলা-ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগ, ১২ জনের বিরুদ্ধে নারীর লিখিত অভিযোগ গুলশান-২ থেকে ১,০০১ বোতল বিদেশি মদ ও বিয়ারসহ একজন গ্রেপ্তার তারাগঞ্জে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চালের মান নিয়ে অসন্তোষ, তদন্তের আশ্বাস খাদ্য বিভাগের সুনামগঞ্জের হালুয়ারঘাট এলাকায় সাংবাদিকতার পরিচয়ে হাসান আলীর বিরুদ্ধে চাদাঁবাজির অভিযোগে এলাকাবাসির মানববন্ধন দিনাজপুরের বিরামপুরে দিনব্যাপী জব কেয়ার চাকুরী মেলা অনুষ্ঠিত।  সাতক্ষীরার কৃষ্ণনগরে চলাচলের পথ বন্ধের অভিযোগ, দুর্ভোগে পরিবার যশোরের বেনাপোল-খড়িডাঙ্গা পাকা সড়কে সৃষ্টি হয়েছে স্থায়ী জলাবদ্ধতা, দুর্ভোগে ১০ গ্রামের মানুষ রায়পুরায় চলন্ত বাসে পুলিশের অভিযান, ১৪০ রাউন্ড সিসার গুলিসহ নারী আটক নবীনগরে সাংবাদিকদের গাড়ি আটকে চাঁদা দাবির অভিযোগ যুবদল নেতার বিরুদ্ধে নরসিংদীতে অবৈধ গ্যাস সংযোগের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা ৩ লাখ ১৫ হাজার টাকা

কবির কলমের ১৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, সাহিত্য-সংস্কৃতির মিলনমেলা

Reporter Name / ৩৯ Time View
Update : সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
কবির কলমের ১৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, সাহিত্য-সংস্কৃতির মিলনমেলা

৬০

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সাহিত্য সংগঠন ‘কবির কলম’-এর ১৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে। এ উপলক্ষে গুণীজন সংবর্ধনা, কবিতাপাঠ, আবৃত্তি ও সাহিত্য আড্ডার আয়োজন করা হয়। কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, গবেষক ও সংস্কৃতিকর্মীদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি সাহিত্য-সংস্কৃতির মিলনমেলায় পরিণত হয়।

সোমবার শহরের কাউতলী এলাকার একটি কনভেনশন সেন্টারে বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে জেলার সাহিত্য ও সংস্কৃতি অঙ্গনের বিশিষ্টজনরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে তরুণ কবি, শিক্ষার্থী ও সাহিত্যপ্রেমীরাও অংশ নেন।

‘কবির কলম’-এর সভাপতি ও বিশিষ্ট ছড়াকার হুমায়ুন কবির সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন আব্দুল মতিন শিপন। প্রধান অতিথি ছিলেন প্রবীণ সংস্কৃতিজন ও কবি আব্দুল মান্নান সরকার।

বক্তারা বলেন, সাহিত্য ও সংস্কৃতিচর্চা মানুষের মননকে শাণিত করে এবং সমাজকে মানবিক ও মূল্যবোধসম্পন্ন করে গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ‘কবির কলম’ দীর্ঘ ১৮ বছর ধরে সাহিত্যচর্চা ও সৃজনশীলতার বিকাশে কাজ করে আসছে, যা প্রশংসনীয়।

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অন্যতম আকর্ষণ ছিল জেলার গুণী ব্যক্তিদের সংবর্ধনা প্রদান। তাঁরা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সম্মাননা স্মারক ও শুভেচ্ছা উপহার গ্রহণ করেন। পরে সাংস্কৃতিক ও সাহিত্যিক পর্ব শুরু হয়, যেখানে কবি ও সাহিত্যিকরা কবিতা পাঠ ও অনুভূতি প্রকাশ করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd