সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, যৌথ জরিপ এবং বাণিজ্য প্রবাহ বৃদ্ধির লক্ষ্যে পাকিস্তান চীনের সঙ্গে 'যৌথ সীমান্ত কমিশন' চালুর ঘোষণা দিয়েছে। বুধবার পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ তথ্য জানায়।
ভারত এ ঘোষণার পর দাবি করেছে যে, এই কমিশনের কোনো 'আইনি ভিত্তি' নেই। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল বলেন, পাকিস্তান ও চীনের মধ্যে আইনত স্বীকৃত কোনো সীমান্ত নেই এবং ভারতীয় ভূখণ্ড জড়িত এমন কোনো চুক্তিতে যাওয়ার অধিকার ইসলামাবাদের নেই।
এ ঘটনা ব্রিকস সম্মেলনের ফাঁকে ঘটে, যেখানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের মধ্যে সীমান্ত ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। পাকিস্তান জানায়, এই কমিশন সীমান্ত ব্যবস্থাপনা এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগের ক্ষেত্রে সহযোগিতার কাঠামো হিসেবে কাজ করবে।
ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত উদ্বোধনী বৈঠকে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপমহাপরিচালক লি ইয়া ও পাকিস্তানের চীনবিষয়ক মহাপরিচালক বিলাল মাহমুদ চৌধুরী নেতৃত্ব দেন। ভারত এ বিষয়ে তাদের অবস্থান 'স্পষ্ট' উল্লেখ করে কমিশনকে প্রত্যাখ্যান করেছে।
ভারত দাবি করে, চীন ও পাকিস্তানের মধ্যে যে সীমান্ত এলাকাকে তারা নিজেদের কেন্দ্রশাসিত জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখের অংশ বলে মনে করে, সেইসব এলাকা নিয়ে কাজ করবে এই যৌথ কমিশন। ১৯৬৩ সালের চুক্তির আওতায় পাকিস্তান ওই ভূখণ্ডের একটি অংশ চীনের কাছে হস্তান্তর করেছিল, যা ভারত মেনে নেয়নি।