যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক চাপের কারণে ইরান দরকষাকষির সক্ষমতা হারাচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। সামরিক শক্তিতে পিছিয়ে পড়ার পর, যুক্তরাষ্ট্র তেহরানের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন অর্থনৈতিক অভিযান শুরু করেছে।
ইরান বর্তমানে ইতিহাসের অন্যতম কঠোর অর্থনৈতিক সংকটে রয়েছে। মার্কিন নৌ অবরোধ ও নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশটির তেল রপ্তানি মারাত্মকভাবে কমে গেছে, যা বৈদেশিক মুদ্রার প্রবাহ ও সামগ্রিক অর্থনীতিতে চরম টানাপোড়েন সৃষ্টি করেছে।
বিশ্লেষক আরাশ আজিজি বলেন, হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধ করতে না পারায় ইরানের দরকষাকষির ক্ষমতা কমছে। মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট এই কৌশলকে 'জোড়া আঘাত' হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং আশা করছেন যে এটি ইরানের শাসনব্যবস্থার পতন ঘটাবে।
তবে ইরান এখনও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও বিদেশি ব্যাংকে আটকে থাকা সম্পদ মুক্ত করার মতো মৌলিক দাবিগুলো ধরে রেখেছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, দীর্ঘ সময় ধরে এ ধরনের পদক্ষেপ ব্যর্থ হয়েছে এবং ইরান কঠোরভাবে অভ্যন্তরীণ বিদ্রোহ দমনে সক্ষম।
সাবেক মার্কিন কূটনীতিক ডেনিস রস সতর্ক করে বলেন, ইরানের সামরিক বাহিনী সংকট সহ্য করে টিকে থাকতে পারে। কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, সংকট নিরসনে নতুন সমঝোতা প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা চলছে।