বাংলাদেশে বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা চলছে, বিশেষ করে দেশের বিদ্যুৎ সংকটের প্রেক্ষাপটে। বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে। বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা আধুনিক রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের জন্য অপরিহার্য।
বিদ্যুৎ উৎপাদনের ইতিহাস ১৯০১ সালে ঢাকায় নবাব আহসানউল্লাহর বাসভবনে প্রথম জেনারেটর স্থাপনের মাধ্যমে শুরু হয়। এরপর ১৯১৯ সালে ব্রিটিশ কোম্পানি ‘ডেভকো’র মাধ্যমে ঢাকায় বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থা বাণিজ্যিকভাবে বিকশিত হয়। বর্তমানে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ২৮ হাজার ৯১৯ মেগাওয়াট, কিন্তু বাস্তবে বিদ্যুৎ সংকট দেখা দিচ্ছে।
বর্তমানে গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকট মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে লোডশেডিং বেড়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জ্বালানি খাতের কাঠামোগত দুর্বলতা এবং আমদানিনির্ভরতা এই সংকটের জন্য দায়ী।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২৩ জুলাই সর্বোচ্চ সরবরাহকৃত চাহিদা ছিল ১৬ হাজার ৭৯৪ মেগাওয়াট। যদিও কাগজে-কলমে উৎপাদনক্ষমতা চাহিদার তুলনায় বেশি, বাস্তবে বিদ্যুৎ সংকট দেখা দিতে পারে।
বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হলে দেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে।