ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি (ডিপিডিসি) প্রিপেইড মিটার রিচার্জের সময় অতিরিক্ত টাকা কাটার বিষয়টি ব্যাখ্যা করেছে। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গ্রাহকদের বিভ্রান্ত না হওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
ডিপিডিসি জানিয়েছে, অনুমোদিত লোডের বিপরীতে প্রতি মাসে একবার ডিমান্ড চার্জ আদায় করা হয়। যদি কোনো মাসে মিটার রিচার্জ না করা হয়, তবে পরবর্তী রিচার্জের সময় ওই মাসগুলোর বকেয়া ডিমান্ড চার্জের সঙ্গে রিচার্জ করা মাসের চার্জও একসঙ্গে কেটে নেওয়া হয়।
গ্রাহকরা যদি নিজ খরচে প্রিপেইড মিটার কিনে স্থাপন করেন, তবে তাদের জন্য কোনো মিটার ভাড়া দিতে হয় না। তবে ডিপিডিসির সরবরাহ করা মিটারের ক্ষেত্রে মাসিক ভাড়া প্রযোজ্য। সিঙ্গেল-ফেজ মিটারের মাসিক ভাড়া ৪০ টাকা এবং থ্রি-ফেজ মিটারের ভাড়া ২৫০ টাকা।
বিদ্যুৎ বিলের ওপর সরকারি নির্ধারিত হারে ভ্যাট দিতে হয় এবং প্রিপেইড মিটার রিচার্জের সময় রিচার্জ করা অর্থের ৫ শতাংশ ভ্যাট কেটে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়।
ডিপিডিসি জানিয়েছে, বিদ্যুতের মূল্যহার পরিবর্তনের পর প্রথমবার মিটার রিচার্জ করলে ২০০ থেকে ২২০ ডিজিটের দীর্ঘ টোকেন আসতে পারে। তবে পরবর্তী রিচার্জগুলোতে ২০ ডিজিটের টোকেন পাওয়া যাবে। গ্রাহকদের সুবিধার জন্য সাপ্তাহিক ছুটির দিন এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হবে না বলেও জানানো হয়েছে।