বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ২০৩০-৩১ সালের মধ্যে সোনা ও হীরার অলংকার রপ্তানি থেকে ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করার পরিকল্পনা করেছে। সংগঠনটি দেশের জুয়েলারি খাতকে আধুনিক, স্বচ্ছ ও রপ্তানিমুখী শিল্পে রূপান্তরিত করতে চায়।
শনিবার (২২ আগস্ট) রাজধানীতে ‘বাজুস জুয়েলারি ফ্যাশন কার্নিভাল-২০২৬’-এ বাজুসের প্রেসিডেন্ট এনামুল হক খান এই পরিকল্পনার কথা জানান। অনুষ্ঠানে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
বাজুস জানায়, ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংগঠনটি দেশের প্রায় ৪০ হাজার জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান ও চার লাখ কারিগরের প্রতিনিধিত্ব করছে। এ খাতের ওপর প্রায় ২৮ লাখ মানুষের জীবিকা নির্ভরশীল।
লিখিত বক্তব্যে বাজুস সরকারকে কর ও ভ্যাটে রেয়াতি সুবিধা দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানায়। সংগঠনটি অভ্যন্তরীণ সংস্কারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে দেশীয় অলংকার রপ্তানির ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে।
বাজুসের মতে, অলংকার আমদানির পথ সহজ করা গেলে স্থানীয় বাজারে প্রতি ভরি অলংকারের দাম কমানো সম্ভব হবে। সংগঠনটি ২০৩০ সালের মধ্যে ৫০০টি আধুনিক জুয়েলারি কারখানা গড়ে তোলার লক্ষ্যও জানিয়েছে, যা ৫০ হাজার মানুষের সরাসরি কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে।
এছাড়া, বাজুস ঢাকায় ‘স্বর্ণপল্লী’ নামে একটি বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চল বরাদ্দের দাবি জানিয়েছে, যেখানে আধুনিক জুয়েলারি কারখানা ও হীরা প্রক্রিয়াজাতকরণ ইউনিট স্থাপন করা হবে। সংগঠনটি আশা করছে, এ উদ্যোগের মাধ্যমে ২০৩১ সালের মধ্যে ২ বিলিয়ন ডলারের হীরার অলংকার রপ্তানি সম্ভব হবে।