• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
গুলশান-২ থেকে ১,০০১ বোতল বিদেশি মদ ও বিয়ারসহ একজন গ্রেপ্তার তারাগঞ্জে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চালের মান নিয়ে অসন্তোষ, তদন্তের আশ্বাস খাদ্য বিভাগের সুনামগঞ্জের হালুয়ারঘাট এলাকায় সাংবাদিকতার পরিচয়ে হাসান আলীর বিরুদ্ধে চাদাঁবাজির অভিযোগে এলাকাবাসির মানববন্ধন দিনাজপুরের বিরামপুরে দিনব্যাপী জব কেয়ার চাকুরী মেলা অনুষ্ঠিত।  সাতক্ষীরার কৃষ্ণনগরে চলাচলের পথ বন্ধের অভিযোগ, দুর্ভোগে পরিবার যশোরের বেনাপোল-খড়িডাঙ্গা পাকা সড়কে সৃষ্টি হয়েছে স্থায়ী জলাবদ্ধতা, দুর্ভোগে ১০ গ্রামের মানুষ রায়পুরায় চলন্ত বাসে পুলিশের অভিযান, ১৪০ রাউন্ড সিসার গুলিসহ নারী আটক নবীনগরে সাংবাদিকদের গাড়ি আটকে চাঁদা দাবির অভিযোগ যুবদল নেতার বিরুদ্ধে নরসিংদীতে অবৈধ গ্যাস সংযোগের বিরুদ্ধে অভিযান, জরিমানা ৩ লাখ ১৫ হাজার টাকা পঞ্চগড়ে সড়কের টোল আদায়ে অনিয়মের অভিযোগ, চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে রাজস্ব আত্মসাতের দাবি

কিশোরগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জ্বালানি তৈল চুরি ও পাচারের অভিযোগ

Reporter Name / ১৭ Time View
Update : বুধবার, ১২ আগস্ট, ২০২৬
কিশোরগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জ্বালানি তৈল চুরি ও পাচারের অভিযোগ

৪৪

কিশোরগঞ্জের ভৈরব ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জসংলগ্ন মেঘনা নদীতে সরকারি কনডেন্সড তথা অপরিশোধিত জ্বালানি তৈল চুরি ও পাচারের অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি প্রকাশিত সংবাদে জানা গেছে, পেট্রোবাংলার অধীনস্থ রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের (আরপিজিসিএল) আশুগঞ্জ স্থাপনা থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে জাহাজে তৈল ভরার সময় একটি সংঘবদ্ধ চক্র এই কার্যক্রম চালাচ্ছে।

গভীর রাতে স্টিলের নৌকার সাহায্যে জাহাজের ‘হোস পাইপ' ও পাইপলাইন থেকে ড্রামভর্তি অপরিশোধিত তৈল সংগ্রহ করে ভৈরব বাজারের বিভিন্ন ঘাটে খালাস করা হচ্ছে। এভাবে প্রতি মাসে আনুমানিক ৬০ হাজার লিটার কনডেন্সড পাচার হচ্ছে, যা রাষ্ট্রের জন্য বিপুল পরিমাণ রাজস্ব ক্ষতির কারণ হচ্ছে।

স্থানীয় নৌ-পুলিশ, প্রশাসন ও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের সহযোগিতায় এই অবৈধ বাণিজ্য নির্বিঘ্নে চলছে বলে অভিযোগ রয়েছে। চক্রের সদস্যরা দাবি করছে যে, পাইপের অবশিষ্টাংশ থেকে তৈল গ্রহণ চুরি নয়। তবে খনির ভারী অপরিশোধিত তৈল খোলাবাজারে বিক্রয় এবং অন্যান্য তৈলের সঙ্গে ভেজাল মিশিয়ে বাজারজাতকরণ বেআইনি।

সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধের কারণে দেশে জ্বালানিসংকট দেখা দিয়েছে, যা এই ধরনের চুরি ও পাচারের ঘটনা বাড়িয়েছে। গত মার্চ মাসে পাচার রোধে সীমান্তে অতিরিক্ত বিজিবি মোতায়েন করা হয় এবং গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

জানা গেছে, কর্ণফুলী নদীতে প্রতিদিন প্রায় ৫০ হাজার লিটার চোরাই তৈল বেচাকেনা হয়। রাজনৈতিক পরিবর্তন হলেও সিন্ডিকেটের কাঠামো অপরিবর্তিত রয়েছে। গোপন ডিপোতে মাটির নিচে তৈল সংরক্ষণ করা হচ্ছে এবং সেখান থেকে সুবিধাজনক সময়ে বাজারজাত করা হচ্ছে। জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তার অংশ হিসেবে জ্বালানি তৈল চুরি ও পাচারকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি উঠেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd