২০২৩ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে ৩৭.৭৫ শতাংশ শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে। এই ফলাফল গত ১৯ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পাশের হার হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। ১১ শিক্ষা বোর্ডের গড় পাশের হার ৬২.২৫ শতাংশ, যা ২০০৭ সালের পর সবচেয়ে কম।
এ বছর ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে, যা মোট পাশ করা শিক্ষার্থীর ১০.২৪ শতাংশ। তবে, গত বছরের তুলনায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২২ হাজার ৩৫৬ জন কমেছে। মোট ৬ লাখ ৯০ হাজার ৬০৮ জন শিক্ষার্থী ফেল করেছে, যার মধ্যে মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীদের পাশের হার ৪৮.৭৪ শতাংশ।
এদিকে, ইংরেজি ও গণিত বিষয়ে শিক্ষার্থীদের ফেল করার হার বেশি থাকায় এই ফলাফল বিপর্যয় ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা। অন্যদিকে, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ে প্রায় সব বোর্ডেই পাসের হার ৯৮ শতাংশের ওপরে।
মেয়েরা এবারও পাশের হারে এগিয়ে রয়েছে। ৯ লাখ ১১ হাজার ৭৯১ জন ছাত্রী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ৬ লাখ ৭ হাজার ৯৩৯ জন পাশ করেছে, যার পাশের হার ৬৬.৬৮ শতাংশ। অন্যদিকে, ৯ লাখ ১৭ হাজার ৬৯৪ জন ছাত্রের মধ্যে ৫ লাখ ৩০ হাজার ৯৩৮ জন পাশ করেছে, তাদের পাশের হার ৫৭.৮৬ শতাংশ।
এছাড়া, ৩১২টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোনো শিক্ষার্থীই পাশ করতে পারেনি, যা গত বছরের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। চলতি বছর ১৮ লাখ ২৯ হাজার ৪৮৫ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়েছিল, তাদের মধ্যে ১১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৭৭ জন পাশ করেছে।