• বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৮:৪০ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
দেওনার পীরের লেবার পার্টির বহিষ্কারের দাবি হবিগঞ্জে নাসীরুদ্দীন ও সারজিসের গাড়িবহরে হামলার প্রতিবাদ জানালেন নাহিদ ইসলাম শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকারের অঙ্গীকার: প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশ ভলিবল দলের র‌্যাঙ্কিংয়ে ৭৫ নম্বরে উন্নীত ইবিএলের নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে আনিস আহমেদের নিয়োগ কক্সবাজার সিটি করপোরেশন হচ্ছে: তথ্য উপদেষ্টা ডা. জাহিদ উর রহমানের ঘোষণা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মাঝে সেলাই মেশিন, বাইসাইকেল ও শিক্ষাবৃত্তি বিতরণ যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১৩ বছরের এলএনজি আমদানির নীতিগত অনুমোদন পেল সরকার বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়ার কুপ্রস্তাবের অভিযোগ ভারতের জেল থেকে মুক্ত ৫ বাংলাদেশি নারী, বেনাপোল দিয়ে দেশে প্রত্যাবর্তন

নরসিংদী হাজীপুর গেইট বাজারে রেলওয়ের সরকারি জমি দখল ও খোলা স্ট্যাম্পে বিক্রির অভিযোগ, তদন্তের দাবি। 

নিজস্ব প্রতিবেদক / ৬৭ Time View
Update : শুক্রবার, ৩ জুলাই, ২০২৬

১১০

নরসিংদী হাজীপুর গেইট বাজারে রেলওয়ের সরকারি জমি দখল ও খোলা স্ট্যাম্পে বিক্রির অভিযোগ, তদন্তের দাবি।

নিজস্ব প্রতিবেদক | নরসিংদী

নরসিংদী সদর উপজেলার হাজীপুর গেইট বাজার এলাকায় বাংলাদেশ রেলওয়ের সরকারি জমি দখল করে খোলা স্ট্যাম্পে লিখিত চুক্তির মাধ্যমে একাধিক প্লট বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে রেলওয়ের মালিকানাধীন জমি ব্যক্তিগতভাবে দখল ও লেনদেনের মাধ্যমে সরকারের মূল্যবান সম্পদ বেহাত করা হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও স্থানীয়ভাবে পরিচিত কাজী তমিজ উদ্দিন মাস্টারের বিরুদ্ধে অতীতেও রেলওয়ের জমি খোলা স্ট্যাম্পে লিখিত চুক্তির মাধ্যমে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। তবে এ অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
সম্প্রতি সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে কাজী তমিজ উদ্দিন মাস্টার দাবি করেন, তিনি রেলওয়ের কাছ থেকেই জমি পেয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি জমি বিক্রির বিষয়েও বক্তব্য দেন। তবে তিনি কোন প্রক্রিয়ায় জমি পেয়েছেন, তা সমর্থনকারী কোনো সরকারি নথি বা বৈধতা প্রতিবেদককে দেখাননি।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য নিতে নরসিংদী রেলওয়ে স্টেশন মাস্টারের কার্যালয়ে গেলে সেটি তালাবদ্ধ পাওয়া যায়। ফলে তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এদিকে রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ফাহিমুল ইসলাম বলেন, “রেলওয়ের সরকারি জমি ব্যক্তি পর্যায়ে বিক্রি বা হস্তান্তরের এ ধরনের কোনো সুযোগ নেই। কেউ যদি এমন কার্যক্রম করে থাকে, তাহলে তা আইনের পরিপন্থী এবং আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
আইন সংশ্লিষ্টরা জানান, রেলওয়ের জমি রাষ্ট্রের সম্পত্তি। এ ধরনের জমি বিক্রি, হস্তান্তর বা দখলের ক্ষেত্রে নির্ধারিত আইন ও সরকারি বিধি-বিধান অনুসরণ বাধ্যতামূলক। অভিযোগের সত্যতা তদন্তে প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
এলাকাবাসী অবিলম্বে রেলওয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ, জেলা প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর মাধ্যমে অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত, রেলওয়ের জমির প্রকৃত মালিকানা যাচাই, অবৈধ দখলমুক্তকরণ এবং প্রমাণ মিললে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
(প্রতিবেদনে উল্লিখিত জমি দখল ও বিক্রির বিষয়টি অভিযোগের ভিত্তিতে প্রকাশ করা হয়েছে। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী কর্তৃপক্ষের ওপর নির্ভরশীল।)


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd