ঘোড়াশাল ময়েজউদ্দিন সেতুর টোল প্লাজায় দুর্নীতির জাল ৫ কর্মচারী চাকরিচ্যুত।
নরসিংদী থেকে আর এ লায়ন সরকার।
নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল ময়েজউদ্দিন সেতুর টোল প্লাজায় দীর্ঘদিন ধরে চলা অনিয়ম ও অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগের পর অবশেষে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
২১ অক্টোবর, দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়ায় ৫ জন কর্মচারীকে ছাঁটাই করা হয়েছে।
চাকরিচ্যুতদের মধ্যে রয়েছেন — সাব্বির, মোঃ ইমন হোসেন, নাসিম শেখ, মায়মুন হোসেন ও সাব্বির মোল্লা।
এছাড়াও, আরও কয়েকজন কর্মচারীর বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে বলে নিশ্চিত করেছেন মোঃ জাহিদুল ইসলাম, উপসহকারী প্রকৌশলী, সড়ক উপবিভাগ নরসিংদী।
যশোর থেকে পণ্যবাহী ট্রাক নিয়ে নরসিংদী ঘোড়াশালগামী দুইজন ড্রাইভার — আজগর আলী ও কবির হোসেন অভিযোগ করেন,
আমাদের কাছ থেকে নির্ধারিত টোলের চেয়ে বেশি টাকা নেওয়া হয়েছে। রিসিট চাইলে তারা বলে—‘ভাংতি নাই, রিসিট দরকার নেই, চলে যান।
এ বিষয়ে মোহাম্মদ ইয়াসিন, সিস্টেম ইঞ্জিনিয়ার (মনিটরিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগ) জানান, আমাদের কিছু প্রাতিষ্ঠানিক বাধ্যবাধকতা আছে, বক্তব্য দিতে হলে অনুমতি প্রয়োজন।
অন্যদিকে মোঃ তানভীর ইসলাম, সিস্টেম ইঞ্জিনিয়ার, আরএইচডি (সড়ক ও জনপদ বিভাগ) বলেন,
দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়ায় ২১ অক্টোবর পাঁচ কর্মচারীকে ছাঁটাই করা হয়েছে। ভবিষ্যতে যেন এ ধরনের অনৈতিক কাজ আর না ঘটে, সে বিষয়ে উদ্বোধন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঘোড়াশাল টোল প্লাজার এই ঘটনাটি প্রমাণ করেছে—দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকারের শূন্য সহনশীল নীতি কার্যকরভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে। জনগণ চায়, এই পদক্ষেপ হোক সারাদেশে সুশাসনের এক অনন্য দৃষ্টান্ত।