• সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:৫৩ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
নরসিংদী ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড আর্কিটেক্ট কনসালটেন্ট ফার্ম অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জহিরুল ইসলাম মনোহরদীতে ৩০০ লিটার চোলাইমদ উদ্ধার, স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার ইয়াবাসহ নারী আটকের পর যুবককে থানায় ৬ ঘণ্টা রাখার অভিযোগ গাজায় চলমান নৃশংসতার বিরুদ্ধে মার্কিন কংগ্রেস সদস্যের সমালোচনা ফরিদপুরে সন্ধ্যার পর ২০০ মিটার রাস্তায় ইয়াবার বাজারের অভিযোগ সিলেটে হাম উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, মোট ১৬৪ জনের মৃত্যু বিজিবিতে সিপাহী পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, আবেদন শুরু ১৫ সেপ্টেম্বর রাশিয়ার ডিজেল শোধনাগারে হামলা বন্ধ করতে জেলেনস্কিকে অনুরোধ ট্রাম্পের দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের সামরিক অভিযান অব্যাহত মুসলিম আলেমদের এআই নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী

শিবপুরে আদালতের নির্দেশ অমান্য: দিনমজুরের ঘর ভাঙচুর, মারধর ও ব্যবসায়ীর খামারবাড়িতে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ।

শিবপুর উপজেলা প্রতিনিধি। / ৪১৯ Time View
Update : শুক্রবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৫

৩৮০

শিবপুরে আদালতের নির্দেশ অমান্য: দিনমজুরের ঘর ভাঙচুর, মারধর ও ব্যবসায়ীর খামারবাড়িতে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ।

শিবপুর উপজেলা প্রতিনিধি।

নরসিংদীর শিবপুরে আদালতের নির্দেশ অমান্য করে অসহায় দিনমজুর দুলাল মিয়ার ঘরবাড়ি ভাঙচুর, মারধর ও লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। শুধু তাই নয়, পরবর্তীতে মামলা করার জেরে দুলাল মিয়ার মামা বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোর্শেদ মিয়ার খামারবাড়িতেও চুরি ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ভুক্তভোগী দুলাল মিয়া (পিতা গফুর মিয়া) জানান, তিনি দীর্ঘদিন ধরে দুই শতাংশ জমির উপর চৌচালা টিনের ঘর নির্মাণ করে বসবাস করছিলেন। ক্ষতিপূরণ ছাড়াই স্থানীয় প্রভাবশালী একটি পক্ষ তার জমি দখল ও ঘর ভাঙার পাঁয়তারা করে। ক্ষতিপূরণ দাবি করলে তারা বেআইনিভাবে ঘর আংশিক ভেঙে ফেলে।

এরপর ন্যায়বিচারের আশায় দুলাল মিয়া আদালতের শরণাপন্ন হন। নরসিংদীর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত মামলা নং ৮০৮/২০২৫ আমলে নিয়ে উভয়পক্ষকে শান্তি বজায় রাখার নির্দেশ দেন এবং দুলাল মিয়ার ঘর ভাঙচুর না করার জন্য কঠোর নির্দেশ জারি করেন।

কিন্তু অভিযোগ অনুযায়ী, আদালতের রায়কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে অভিযুক্তরা নোটিশ পাওয়ার পর দুলাল মিয়াকে আটকে মারধর করে, ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে এবং নগদ টাকা ও মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নেয়।

দুলাল মিয়া অভিযোগ করেন,
“আমি আদালতের দ্বারস্থ হয়েছি ন্যায়বিচারের আশায়। কিন্তু মামলা করার জের ধরে আমার মামা, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোর্শেদ মিয়ার খামারবাড়িতেও হামলা চালানো হয়। সেখান থেকে মূল্যবান জিনিসপত্র চুরি করে নিয়ে যায় এবং ভেতরে থাকা দুটি ঘর পুড়িয়ে দেয়। এখন আমরা পরিবার নিয়ে ভীষণ আতঙ্কে আছি।”

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মতলব বাতেনের বক্তব্য নিতে যোগাযোগ করা হলেও তাকে বাড়িতে না পাওয়ায় কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় এলাকাবাসীর দাবি, আদালতের আদেশ অমান্য করে ধারাবাহিক এসব ঘটনা আইন ও প্রশাসনের প্রতি চরম অবমাননা। দ্রুত দোষীদের আইনের আওতায় এনে ভুক্তভোগীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd