• সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:০৫ অপরাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
ফরিদগঞ্জে বিএনপির কার্যালয়ে হামলার ঘটনায় আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেপ্তার ড্রোনের মাধ্যমে মাদক প্রবাহের অভিযোগ আইনমন্ত্রীর নরসিংদী ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যান্ড আর্কিটেক্ট কনসালটেন্ট ফার্ম অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি জহিরুল ইসলাম মনোহরদীতে ৩০০ লিটার চোলাইমদ উদ্ধার, স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার ইয়াবাসহ নারী আটকের পর যুবককে থানায় ৬ ঘণ্টা রাখার অভিযোগ গাজায় চলমান নৃশংসতার বিরুদ্ধে মার্কিন কংগ্রেস সদস্যের সমালোচনা ফরিদপুরে সন্ধ্যার পর ২০০ মিটার রাস্তায় ইয়াবার বাজারের অভিযোগ সিলেটে হাম উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, মোট ১৬৪ জনের মৃত্যু বিজিবিতে সিপাহী পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, আবেদন শুরু ১৫ সেপ্টেম্বর রাশিয়ার ডিজেল শোধনাগারে হামলা বন্ধ করতে জেলেনস্কিকে অনুরোধ ট্রাম্পের

ঢাকায় জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের সংঘর্ষে সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ, পাঁচ সদস্য আহত /আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর

নাজাত ডেস্ক রিপোর্ট / ২৯৫ Time View
Update : শুক্রবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৫

৩৩১

ঢাকায় জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের সংঘর্ষে সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপ, পাঁচ সদস্য আহত /আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর

 

নাজাত ডেস্ক রিপোর্ট।

 

ঢাকার কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে শুক্রবার (২৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ব্যর্থ হলে সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে হস্তক্ষেপ করেন বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।

 

আইএসপিআরের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রথমে পুলিশ পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করলেও সংঘর্ষ বেড়ে গেলে তারা সেনাবাহিনীর সহযোগিতা কামনা করে। সংঘর্ষের সময় পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যদের ওপর সংগঠিতভাবে হামলা চালানো হয়, যাতে সেনাবাহিনীর পাঁচ সদস্য আহত হন।

 

সংঘর্ষের সূত্রপাত হয় সন্ধ্যায় গণঅধিকার পরিষদের একটি মিছিল কাকরাইল দিয়ে যাওয়ার সময়। রাত ৮টার দিকে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী উভয় পক্ষকে শান্ত থাকার অনুরোধ জানালেও তা অগ্রাহ্য করে কিছু নেতাকর্মী মব ভায়োলেন্সে লিপ্ত হয়। রাত ৯টার দিকে মশাল মিছিল ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপের মাধ্যমে সহিংসতা আরও বৃদ্ধি পায় এবং বিভিন্ন স্থাপনায় আগুন দেওয়ারও চেষ্টা হয়।

 

আইএসপিআর জানায়, সংঘর্ষে বিজয়নগর, নয়াপল্টনসহ আশপাশের এলাকায় সাধারণ মানুষের চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। শান্তিপূর্ণ সমাধানের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় সেনাবাহিনী ও পুলিশ জননিরাপত্তা রক্ষায় বলপ্রয়োগে বাধ্য হয়।

 

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সব ধরনের মব ভায়োলেন্সের বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সরকারের এ সিদ্ধান্ত পুনর্ব্যক্ত করে জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তা রক্ষায় তারা সবসময় কঠোর অবস্থান নেবে।

 

আইএসপিআরের ভাষ্য অনুযায়ী, সেনাবাহিনী দেশের শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে সর্বদা বদ্ধপরিকর এবং জনমনে স্বস্তি ফেরাতে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবি

লায় প্রস্তুত।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd