রাজশাহীতে কৃষকদের জন্য সারের সংকট অব্যাহত রয়েছে। কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, চলতি সেপ্টেম্বর মাসে রাজশাহীতে রাসায়নিক সারের বরাদ্দ স্বাভাবিক থাকলেও বাস্তবে কৃষকেরা সারের জন্য হাহাকার করছেন।
কৃষি কর্মকর্তাদের মতে, জমিতে ফসলের জন্য প্রয়োজনীয় সারের পরিমাণ বরাদ্দ থাকলেও, সেই সার মাছের পুকুরে চলে যাচ্ছে। ফলে মাছ চাষের জন্য পৃথক বরাদ্দ না থাকায় কৃষকদের সার কমে যাচ্ছে।
সেপ্টেম্বর মাসে রাজশাহীতে বরাদ্দ রয়েছে ৫ হাজার ১৮৬ মেট্রিক টন ইউরিয়া, ১ হাজার ৪৫ মেট্রিক টন টিএসপি, ১ হাজার ৬২৯ মেট্রিক টন এমওপি এবং ৩ হাজার ১৫ টন ডিএপি। গত বছরের একই সময়ে সারের বরাদ্দ প্রায় একই রকম ছিল।
কৃষকেরা সারের জন্য দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকছেন এবং সম্প্রতি পুঠিয়ার বানেশ্বরে সারের দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করেছেন। অক্টোবর থেকে আলু আবাদ শুরু হবে, যা সারের চাহিদা বাড়াচ্ছে।
রাজশাহীর মত্স্য কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম জানিয়েছেন, পুকুরে মাছের প্রাকৃতিক খাদ্য তৈরির জন্য ইউরিয়া ও টিএসপি সার প্রয়োজন। তবে পুকুরের জন্য আলাদা সার বরাদ্দ না থাকায় জমির ফসলের সারের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।
এদিকে, বিএডিসি এবং বিসিআইসি সম্প্রতি রাজশাহীর সারের গুদাম পরিদর্শন করেছেন। বিভাগীয় কমিশনার ইউসুফ আলী সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, রাজশাহীতে সারের কোনো সংকট নেই।