• বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৫৬ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]
শিরোনামঃ
বিএনপির রিজভী: শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দিয়ে ভারত বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটে ৭৮ শতাংশ নিট কারখানার উৎপাদন ব্যাহত, জামায়াতের প্রতিবাদ ঘোষণা স্মার্টফোনের দাম ২ থেকে ৩ হাজার টাকায় নামানোর উদ্যোগ কলেজে যাওয়ার কথা বলে নিখোঁজ কলেজছাত্রী, মুক্তিপণ দাবি ডিসেম্বর পর্যন্ত জ্বালানি তেলের সংকট হবে না: বিপিসি চেয়ারম্যান মক্কায় হামলার দাবি নাকচ করলো হুথি বিদ্রোহীরা রিয়াল মাদ্রিদ এলচেকে হারিয়ে জয়লাভ করল ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ড: তদন্ত কমিটি গঠন, মৃতের সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তি আসিফ নজরুলের বিশ্বকাপ না খেলার দায় স্বীকার ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন নিলেন রাষ্ট্রপতির ভাই মির্জা ফয়সাল আমিন

যশোরে শার্শায় বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের ৫৫তম শাহাদাতবার্ষিকী ৫ সেপ্টেম্বর

মনির হোসেন বেনাপোল প্রতিনিধি / ২৭ Time View
Update : শনিবার, ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

৩৬

যশোরে শার্শায় বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের ৫৫তম শাহাদাতবার্ষিকী ৫ সেপ্টেম্বর

 

মনির হোসেন, বেনাপোর প্রতিনিধি:-

যশোরের শার্শায় মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গণের সাহসী সন্তান বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের ৫৫তম শাহাদাতবার্ষিকী আজ (৫ সেপ্টেম্বর)।

 

১৯৭১ সালের ৫ সেপ্টেম্বর যশোর জেলার গোয়ালহাটি ও ছুটিপুরে পাকবাহিনীর সাথে সম্মুখ যুদ্ধে শাহাদাতববরণ করেন তিনি। এদিন পাকবাহিনীর গুলিতে সহযোদ্ধা নান্নু মিয়া গুরুতর আহত হলেও হাতে এলএমজি এবং আহত নান্নুকে কাঁধে নিয়ে শত্রুপক্ষের দিকে গুলি ছুঁড়তে থাকেন নূর মোহাম্মদ। হঠাৎ পাকবাহিনীর মর্টারের আঘাতে তার হাঁটু ভেঙ্গে যায়। তবুও গুলি চালাতে থাকেন তিনি। এক সময় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন নূর মোহাম্মদ শেখ।

 

যশোরের শার্শা উপজেলার কাশিপুর গ্রামে তাকে সমাহিত করা হয়। মুক্তিযুদ্ধে অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ খেতাবে ভূষিত হন তিনি। লাল-সবুজের মাঝে স্বাধীন সার্বভৌমত্ব বাংলাদেশে প্রতিটি মানুষের হৃদয়ে আজো বেঁচে আছেন বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ।

 

এদিকে, বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখ ১৯৩৬ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি নড়াইল সদর উপজেলার চন্ডিবরপুর ইউনিয়নের মহিষখোলা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। বাবা মোহাম্মদ আমানত শেখ ও মা জেন্নাতুন্নেছা, মতান্তরে জেন্নাতা খানম। বাল্যকালেই বাবা-মাকে হারান তিনি। সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেন।

 

তার দুই স্ত্রীর কেউই বেঁচে নেই। বর্তমানে এক ছেলে ও তিন মেয়ে আছেন। তারা নড়াইল ও যশোরে বসবাস করেন। নূর মোহাম্মদ শেখের জীবনী থেকে জানা যায়, ১৯৫৯ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলসে (ইপিআর) যোগদান করেন। বর্তমানে ‘বর্ডার গার্ড অব বাংলাদেশ’ (বিজিবি)। দীর্ঘদিন দিনাজপুর সীমান্তে চাকরি করার পরে ১৯৭০ সালের ১০ জুলাই যশোর সেক্টরে বদলি হন তিনি। ল্যান্স নায়েকে পদোন্নতি পান।

 

১৯৭১ সালে যশোর অঞ্চল নিয়ে গঠিত ৮নম্বর সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন। এপ্রিল থেকে আগস্ট পর্যন্ত ৮নম্বর সেক্টর কমান্ডার ছিলেন কর্নেল (অব:) আবু ওসমান চৌধুরী এবং সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত মেজর এস এ মঞ্জুর।

 

নূর মোহাম্মদ যশোরের শার্শা উপজেলার কাশিপুর সীমান্তের বয়রা অঞ্চলে ক্যাপ্টেন নাজমুল হুদার নের্তৃত্বে পাক হানাদারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে দেশ শত্রুমুক্ত করেন। এদিকে, এই বীরশ্রেষ্ঠের গ্রামের নাম পরিবর্তন করে ২০০৮ সালের ১৮ মার্চ ‘নূর মোহাম্মদ নগর’ করা হয়। সেই থেকে উন্নয়নের ছোঁয়া লেগেছে গ্রামটিতে। এখানে নির্মিত হয়েছে-বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ গ্রন্থাগার ও স্মৃতি জাদুঘর। এছাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজ।

 

২০০৮ সালের ১৮ মার্চ জাদুঘরটি উদ্বোধন হয়। এছাড়াও নূর মোহাম্মদের বসতভিটায় নির্মিত হয়েছে স্মৃতিস্তম্ভ। জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ আবদুল ছালাম জানান, বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের ৫৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে

 

আজ (৫ সেপ্টেম্বর) নূর মোহাম্মদ নগরে কোরআন তেলাওয়াত, শোভাযাত্রা, স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন, আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল এবং সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নূর মোহাম্মদের জীবনীভিত্তিক আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।

 

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd